মানবদেহে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি তাকে করোনাভাইরাস থেকে আদো সুরক্ষা দেবে কিনা এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সংস্থার শীর্ষ এমারজেন্সি বিশেষজ্ঞ মাইক রিয়ান বলেন, ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কারও দেহে অ্যান্টিবডি তৈরী হলে তা তাকে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হওয়া থেকে পুরোপুরি সুরক্ষা দেবে কিনা এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হতে পারছি না।
এমনকি অ্যান্টিবডি কার্যকর হলেও বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে এটি ডেভেলপ করছে এবং হার্ড ইমিউনিটি দিচ্ছে তাও খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত যে সব প্রাথমিক প্রমাণাদি এসেছে তা থেকে বোঝা যায়, অল্প শ্রেনীর মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরী হচ্ছে। এটি কখনই প্রমাণ করে না যে, বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরী হবে। সুতরাং এটি বর্তমান সমস্যার সমাধান করবে না।’
হার্ড ইমিউনিটি যাকে কমিউনিটি ইমিউনিটিও বলা হয়। এর অর্থ হচ্ছে জনসাধারণকে এ রোগ থেকে পরোক্ষভাবে সুরক্ষা দেওয়া। এটি সম্ভব হয় যখন সমাজের বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরী করা বা টিকা দিয়ে অ্যান্টিবডি তৈরী করা যায়, তাহলে সবাই রোগ থেকে এমনিতেই সুরক্ষা পাবে। অ্যান্টিবডি হচ্ছে এক ধরণের প্রোটিন, যা রক্তে তৈরী হয় এবং রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
কিন্তু অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ বলছেন, হার্ড ইমিউনিটি কৌশল কাজে লাগবে যদি সমাজের বেশিরভাগ মানুষকে টিকা দেওয়া যায়। সুতরাং টিকা ছাড়া এ ধরণের একটি মহামারীর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি দিয়ে যুদ্ধ করার চিন্তা সমীচিন হবে না।

No comments:
Post a Comment