এরা প্রত্যেকে পরিযায়ী শ্রমিক। বাড়ির খুব কাছে এসেও যেতে পারছে না বাড়িতে। অসম বাংলা সীমানার শিমুলটাপুতে আটকে আছে তারা। কেউ তিন দিন কেউ দুদিন থেকে۔ বাংলার পুলিশ কোনো অবস্থাতেই তাদের ঢুকতে দিচ্ছে না বাংলায়।
কারো বাড়িতে অসুস্থ মা কারো বা গর্ভবতী স্ত্রী পথ চেয়ে বসে আছে। প্রিয়জনের এই অপেক্ষার কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে তাদের নিজেদের ক্ষুধা তৃষ্ণাকে। কারো তিন দিনে খাবার জুটেছে একবার কারো বা দুবার তাও অন্যের দয়ায়। কারো বাড়ি আলিপুরদুয়ারে কারো বাড়ি পার্শবর্তী কোচবিহার জেলায় ۔এরা সবাই নির্মাণ শ্রমিক কাজ করতো অরুণাচল প্রদেশে।
লক ডাউন শুরু হবার পার কাজ বন্ধ ۔ জামান টাকা শেষ। কেউ ভিক্ষা করে কেউ বা মোবাইল বিক্রির টাকায় অসম বাংলা সীমানা পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে। কিন্তু এসে আটকে গেছে। E Pass এর কথা জিজ্ঞেস করতে তারা জানালো যে তারা কেউ লেখাপড়া জানে না।
তাই কি ভাবে কি করতে হয় সেটাও জানে না ۔অন্যের মুখে শুনে অনেক খুঁজে একটিও সাইবার ক্যাফে খোলা পাইনি। তাই বাড়ির কাছে এসে অসহায়ের মতো বসে থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই তাদের। তাদের কথা শোনার পর আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক জানান বিষয়টি তিনি দেখবেন।

No comments:
Post a Comment