করোনা সংক্রমণ নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কালিয়াচক (২) নম্বর ব্লকের সুকান্ত ভবনে হয়ে গেল এক সরকারি বৈঠক।
উপস্থিত ছিলেন পুলিশ আধিকারিক এর সি আই সুশান্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়, মোথাবাড়ি বিধানসভার বিধায়িকা সাবিনা ইয়াসমিন ,এছরাও কালিয়াচক 2 নম্বর ব্লকের বিডিও সাহেব সঞ্জয় ঘিসিং , বাঙ্গি টোলা হাসপাতালের BMOH কৌশিক মিস্ত্রি,ছিলেন মোথাবাড়ি থানার ওসি বিটুল পাল মহাশয়,এছারাও কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের সমস্ত অঞ্চলের প্রধান, ও মেম্বাররা সহ এলাকার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা।
আলোচনা মুল বিষয় ছিল ভিন রাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিক যাতে চোরাই পথে প্রবেশ রুখতে সচেতন করতে প্রধান ও মেম্বারদের নজর রাখতে বলাহয়। এ ছারাও জানানো হয় পরিজায়ি শ্রমিক গ্রামে প্রবেশ করার আগে সোওয়াব টেষ্ট করার পরে তাদের কোয়ারেন্টাই ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে, গ্রামের প্রাইমারি স্কুল গুলিতে বা অন্যত্র।
এলাকার যেসব জায়গায় বাজার বসে বাজার বসার একটা নির্দিষ্ট সময় ধারণ করে দেওয়া হবে। ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়কে মাক্স ব্যবহার করতে হবে। মাক্স ছাড়া কোন কেনাকাটা করা যাবে না। ভিন রাজ্য থেকে বিভিন্ন চোরাপথে সাইকেলে ভ্যানে করে আসা পারিজায়ী শ্রমিকদের প্রতি লক্ষ্য রাখবে আশা কর্মীরা।
এবং লক্ষ রাখবে প্রত্যেক গ্রামের ভিলেজ পুলিশ। বাঙ্গি টোলা হাসপাতালে র BMOH কৌশিক মিস্ত্রি জানান আগে লালা রস টেস্ট করার পর রিপোর্ট আসতে ৩ থেকে ৪ দিন লেগে যেত, এখন সেটিকে অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়েছে ,এবং দুই দিনের মধ্যে রিপোর্ট মেসেজের মাধ্যমে ফোনে দেওয়া হচ্ছে।
মোথাবাড়ি, বিধায়িকা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন যে ভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বেরে চলেছে সেই পরিস্থিতি জন্য আজ কালিয়াচক ২ ব্লকের সকল প্রধান ও মেম্বারদের নিয়ে সচেতন মূলক একটি মিটিং করেন।
এই মিটিংয়ের মাধ্যমে এই বাইরে থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিক যাতে যেখানে সেখানে ঘুরে না বের হয়, সেই জন্য আসার পরে তাদের টেষ্টের রিপোর্ট আসা পর্যন্ত তাদের জন্য আলাদা ভাবে থাকার ব্যাবস্থা করা হয় এই নিয়ে প্রধান ও মেম্বারদে নিয়ে আজ মিটিং করা হয়।

No comments:
Post a Comment