ক্যান্সার আক্রান্তের পরিবারের সহৃদয় আর্তি - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 7 May 2020

ক্যান্সার আক্রান্তের পরিবারের সহৃদয় আর্তি





লকডাউনে চরম সমস্যায় ২৯ বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত বন্দনা ও তার পরিবার। ৯ বছরের মেয়ের জন্য বাঁচতে চায় বন্দনা। কিন্তু চিকিৎসার কোনো পথ পাচ্ছে না পরিবার। স্বামী, বাবা সকলের ব্যবসা বন্ধ। রায়গঞ্জে রেক্টাম ক্যান্সারের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। লকডাউনে বাইরে যাওয়ার পথও বন্ধ। এখন সহৃদয় সহায়তার জন্য শুধুই আর্তি জানাচ্ছে বন্দনার পরিবার৷






রায়গঞ্জের বারোদুয়ারী এলাকার বাসিন্দা বন্দনা বন্দনা তপাদার রজক। বাপের বাড়ি শ্বশুর বাড়ি দুটোই বারোদুয়ারী লাগোয়া। স্বামী পাপ্পু রজক বাড়ি লাগোয়া একটা চায়ের দোকান চালাতেন। যা লকডাউনে বন্ধ৷ বন্দনার বাবা বাড়িতেই গাছের চারা বানিয়ে বিক্রি করার ব্যবসা করতেন, সেই ব্যবসাও বন্ধ লকডাইনে৷






বন্দনা রেক্টাম ক্যান্সারে আক্রান্ত, ২ বছর আগে মুম্বাই টাটা ক্যান্সার রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা করাতে গিয়েও টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেনি পরিবার৷ পরে মুম্বাই থেকে ফিরে টাকার যোগার করে কলকাতার একটি বেসরকারী চিকিৎসা কেন্দ্রে মুম্বাই টাটা ক্যান্সার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করায় পরিবার৷ ভালোই ছিল বন্দনা।






 কিন্ত লকডাউনের মধ্যে ক্যান্সারের যন্ত্রনা আবার ফিরে এসেছে৷ রায়গঞ্জে রেক্টাম ক্যান্সার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। অনেক চেষ্টায় শিলিগুড়িতে নিয়ে গিয়ে অঙ্কলোজিস্টের পরামর্শে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা পর জানা যায় দ্রুত অপারেশন করাতে হবে বন্দনার। সব মিলিয়ে খরচ প্রায় ৩ লক্ষ টাকা।






নিরুপায় বন্দনার স্বামী ও বাবা বাড়ি ফিরে এসেছেন। পাপ্পু তার বন্দ চায়ের দোকানের সামনে দাড়িয়ে চেনা জানা লোকদের দেখলেই তাদের সাহায্যের জন্য অনুরোধ করছেন, কিন্তু উত্তরে সবাই বলছে লকডাউন, এখন তো নিজেরাই সমস্যায় আছি, সাহায্য করার জন্য কেউ এগিয়ে আসছে না।








বন্দনার বাবা নিরুপায় হয়ে বাড়িতে বসেই শুধু চোখের জল ফেলছেন। আর আর্তি করছেন কেউ পাশে দাড়ান,  মেয়েটাকে বাচাতে কেউ পাশে দাড়ান। চিকিৎসা করালে আমার মেয়ে ভালো হয়ে যাবে।








আর বন্দনা দু'চোখের জল কোনোরকমে আটকে বলছেন আমার মেয়েটাতো আমাকে ছাড়া থাকতেই পারেনা। আমার চিকিৎসার কি কোনো ব্যবস্থা হবে? আমি কি বাঁচবো???

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad