বাতাসে ভেসে থাকতে পারে হাঁচির ড্রপ লেট। রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের সময় আশ পাশের আবাসন থেকে কিংবা পাশের যাতায়াতকারীর ড্রপলেট বাতাসে ভেসে আপনার শরীরে বসতে পারে। যদি কোনও করোনা আক্রান্ত রোগীর ড্রপলেট এভাবেই ভেসে আপনার শরীরে পড়ে তাহলে আপনিও আক্রান্ত হতে পারেন করোনা ভাইরাসে।
আবার, কোনও করোনা রোগী কফ তুথু রাস্তায় ফেললেন আর আপনি যাতায়াতের সময় তা জুতোয় মাখিয়ে ঘরে ফিরলেন। করোনা আক্রান্ত হতে পারেন আপনি অথবা আপনার পরিবারের সদস্য।
অর্থাৎ করোনা আমরা ঘরে আনছি না বুঝে না জেনে। এই পরিস্থিতিতে দরকার ডোর স্যানিটাইজিং। অর্থাৎ ঘরে ঢোকার সময় আপনি দরজায় দাঁড়িয়ে পা থেকে মাথা পর্যন্ত স্যানিটাইজিং করে ঘরে ঢুকতে পারবেন।
স্যানিটাইজিং ই একমাত্র বর্ম করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে। শপিং মল থেকে দোকান কিংবা স্কুল কলেজ ও অফিস আদালত সর্বত্র প্রবেশের সময় স্যানিটাইজিং সুরক্ষা দরকার।
আর সে কথা মাথায় রেখে ইয়ং জেনারেশন অব বারাসত গরীব মধ্যবিত্ত থেকে ধনীদের কথা মাথায় রেখে স্যানিটাইজিং ডোর তৈরি করেছে। এবার ভিডিওটি ক্লিক করে দেখুন স্যানিটাইজিং ডোর সম্পর্কে বিস্তারিত।
No comments:
Post a Comment