অবস্থার অবনতি হওয়ায় করোনাভাইরাসজনিত কভিড-১৯ এ আক্রান্ত ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধামন্ত্রীর অফিস ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বলা হয়েছে, জনসনকে তার চিকিৎসকদের পরামর্শেই নিবিড় পর্যবেক্ষণ ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। সেখানে ‘অসাধারণ চিকিৎসা’ হচ্ছে তার। নিজের এই অনুপস্থিতির সময়ে ‘প্রয়োজনে’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবকে প্রধানমন্ত্রীর কাজ চালিয়ে যেতে বলে গিয়েছেন জনসন।
গত মাসের শেষ দিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কভিড-১৯ পজেটিভ এসেছে বলে নিজেই জানান ৫৫ বছর বয়সী জনসন। তারপর থেকে ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবনে আইসোলেশনে ছিলেন তিনি।
কিন্তু করোনাভাইরাসের ‘লক্ষণগুলো অব্যাহত’ থাকায় রবিবার সন্ধ্যায় সেন্ট্রাল লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় জনসনকে। অবস্থার অবনতি ঘটলে সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয় তাকে।
ব্রিটেনের রাজ প্রাসাদ থেকে জানানো হয়েছে, জনসনের স্বাস্থ্যের অবস্থা রানিকে অবগত করেছে ডাউনিং স্ট্রিট। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাঁখো সহ বিশ্বের অনেক নেতা জনসনের সুস্থতা কামনায় বিবৃতি দিয়েছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও তাঁর সুস্থতা কামনা করে ট্যুইট করা হয়েছে।
বিবিসি’র রাজনীতি বিষয়ক সংবাদদাতা ক্রিস ম্যাসন জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যার দিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছিল। এতে বোঝা যায়, জনসনকে ভেন্টিলেটরে শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়া খুব জরুরি হয়ে পড়েছিল।
এক বিবৃতিতে ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের লক্ষণগুলো অব্যাহত থাকায় লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে ভর্তির হওয়ার পর ডাক্তারদের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছিল।
“সোমবার বিকেল নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর মেডিকেল টিমের পরামর্শে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। ”
“প্রধানমন্ত্রী অসাধারণ সেবা গ্রহণ করছেন। কঠোর পরিশ্রম ও আত্মনিবেদনের জন্য এনএইচএস (ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস) এর সকল স্টাফদের ধন্যবাদ। ”

No comments:
Post a Comment