লকডাউন পরিবেশে উচ্চস্বরে কথা বলায় নারী সহ ৫ জনকে গুলি করে হত্যা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 6 April 2020

লকডাউন পরিবেশে উচ্চস্বরে কথা বলায় নারী সহ ৫ জনকে গুলি করে হত্যা

                                                                                                                      প্রতীকী ছবি

রাশিয়ায় লকডাউন কার্যকর করতে উচ্চস্বরে কথা বললেই গুলি করেছে দেশটির পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী।

একটি বাড়ীর বাইরে উচ্চস্বরে আড্ডা দিচ্ছিলেন কয়েকজন লোক। বাড়ীর মালিক নিষেধ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক বাধে। এসময় বাড়ীর মালিক ক্ষিপ্ত হয়ে গুলি চালালে ঘটনাস্থলে নিহত হয় ৫ জন।

বিবিসি জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় এমন মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রাশিয়ার মস্কো থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে রিয়াজান অঞ্চলের ইয়েলতামা গ্রামে।

করোনাভাইরাসের কারণে বর্তমানে ওই অঞ্চলে লকডাউন চলছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা বলছেন, লোকটি প্রথমে তার বারান্দা থেকে উচ্চস্বর আড্ডারত দলটিকে নিষেধ করেন। এতে দু’পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে বাড়ীর মালিক ক্ষিপ্ত হয়ে শিকারি রাইফেল দিয়ে গুলি চালায়। এতে চারজন পুরুষ ও একজন মহিলা ঘটনস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও তার বাড়ীতে তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এদিকে পৃথিবীর বহু দেশের মতো করোনার বিস্তার ঠেকাতে লকডাউন হয়ে পড়েছে ফ্রান্স। এমন পরিস্থিতিতে শনিবার দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর রোমান্স-সুর-ইসেরেতে ছুরি হামলায় দু’জন নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। হামলাকারীকে ইতোমধ্যে আটক করেছে ফ্রান্স পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারী শহরের একটি তামাকজাত পণ্যের দোকানে প্রবেশ করে দু’জনকে ছুরিকাঘাত করে।

পরে আরেকটি কসাইয়ের দোকানে হামলা চালায় ওই হামলাকারী। ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীর বয়স ৩৩ বছর এবং তিনি সুদানের নাগরিক।

এদিকে ফ্রান্সের প্রসিকিউটরদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আটকের সময় হামলাকারী বসে আরবিতে প্রার্থনা করছিলেন। সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ব্লিউ জানায়, হামলাকারীর পরিচয় কোনও গোয়েন্দা অথবা পুলিশের কাছে ছিল না।

হামলার কারণ এখনও জানা যায়নি বলে দাবি করেছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফে ক্যাসটেনার। এই হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন।

একটি ট্যুইট পোস্টে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, রোমান্স-সুর-ইসেরে হামলা ভুক্তভোগী, আহত এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে আছি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad