অকস্মাৎ দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে বেড়েছে নারীর প্রতি গার্হস্থ্য হিংসার প্রকোপ। ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেন-এর তথ্যানুযায়ী, লকডাউনের এক সপ্তাহও গড়ায়নি, শুধুমাত্র মেল মারফত গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এসেছে ৫৮টি। চিঠি মারফত তারও বেশি, তাও লকডাউনের যোগাযোগহীনতার কারণে কিছু কম।
মেল মারফত অভিযোগের সংখ্যাটি আপাত দৃষ্টিতে কম মনে হলেও এক সপ্তাহের নিরিখে এই সংখ্যাটি উদ্বেগজনক। এনসিডব্লিউ-এর চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা জানান, মেল মারফত জানানোর মতো সুবিধাপ্রাপ্ত নারী এদেশে বেশ কম। সমাজের নিচের স্তরে এমন অগণিত মহিলা রয়েছেন, যাঁদের এই সুযোগটুকু নেই। তাই এই ৫৮ সংখ্যাটি কিছুই নয়।
অল ইন্ডিয়া প্রোগ্রেসিভ উইমেন’স অ্যাসোসিয়েশন এর সম্পাদক কবিতা কৃষ্ণণ মন্তব্য বলেন, এমন সব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে লকডাউনের আগে কিছু সময়ের প্রস্তুতিপর্ব দেওয়া উচিৎ ছিল। তাহলে অন্তত কিছু মেয়ে তাদের সুরক্ষিত জায়গায় পৌঁছে যাওয়ার সময় পেত। এখন প্রশাসনের এই ভ্রান্তিরই খেসারত দিতে হচ্ছে! একইসঙ্গে তিনি জানান, মহিলাদের ধারণা কাজ করছে, লকডাউনের সময় পুলিশ এসব বিষয়ে মাথা ঘামাতে চাইবে না, কিন্তু এমন ধারণা ভুল। কোনওরকম গার্হস্থ্য হিংসার আঁচ পেলেই স্থানীয় পুলিশকে নির্ভয়ে জানানো হোক, এমন অভয় দিয়েছেন তিনি।

No comments:
Post a Comment