করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সকলের মাস্ক ব্যবহার প্রয়োজন নেই: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 2 April 2020

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সকলের মাস্ক ব্যবহার প্রয়োজন নেই: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সবার মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। যদি কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় বা কারও অসুস্থ কোনও ব্যক্তির সেবা করার প্রয়োজন হয়, তাহলেই কেবল মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

মঙ্গলবার সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচওর হেলথ ইমারজেন্সি প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক মাইক রায়ান এ তথ্য জানিয়েছেন।

মাইক রায়ান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করার কারণে লাভ হচ্ছে—এ ধরনের কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। মূলত বিশ্বজুড়ে মাস্কের সঠিক ব্যবহারের পরিবর্তে অপব্যবহারই বেশি হচ্ছে। এ কারণে সারা বিশ্বে চিকিৎসা সরঞ্জাম সহ মাস্কের চরম সংকট দেখা যাচ্ছে।’

ডব্লিউএইচওর হেলথ ইমারজেন্সি প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। কারণ তাঁরা প্রতিদিন, প্রতি সেকেন্ডে এই ভাইরাসের সংস্পর্শে আসছেন। অথচ ভয়াবহ ব্যাপার হল, তাঁদের জন্যই পর্যাপ্ত মাস্ক নেই।’

সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচওর ইনফেকশাস ডিজিজ এপিডেমিওলজিস্ট মারিয়া ভন কেরখোভ বলেন, মূলত এই মুহূর্তে মাস্ক ব্যবহার করা বেশি প্রয়োজন, এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। আসলে যেসব স্বাস্থ্যকর্মী প্রতিনিয়ত করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী সামাল দিচ্ছেন, এই মুহূর্তে তাঁদের মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে জরুরি।

মারিয়া ভন কেরখোভ আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা সাধারণ মানুষকে মাস্ক ব্যবহার করতে নিরুৎসাহিত করছি। যদি কেউ অসুস্থ হন বা অসুস্থ কোনও ব্যক্তির সেবা করার প্রয়োজন হয়, তাহলেই কেবল মাস্ক ব্যবহার করবেন।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচওর কর্মকর্তারা হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, সারা বিশ্বে চিকিৎসা সরঞ্জাম সহ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের (পিপিই) চরম সংকট দেখা যাচ্ছে।

গত সপ্তাহে মারিয়া ভন কেরখোভ বলেছিলেন, ‘যেকোনও বিষয় আমাদের পরিষ্কার করে বলতে হবে। বিশ্বে আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিইসহ মাস্ক, গ্লাভস, গাউন ও মুখমণ্ডল সুরক্ষার উপকরণের চরম সংকট। এসব জিনিস সরবরাহে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের গুরুত্ব দিতে হবে।’

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad