মোদি-ট্রাম্প বন্ধুত্বে ছন্দপতন! মোদিকে ট্যুইটারে আনফলো করে দিল হোয়াইট হাউস - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 30 April 2020

মোদি-ট্রাম্প বন্ধুত্বে ছন্দপতন! মোদিকে ট্যুইটারে আনফলো করে দিল হোয়াইট হাউস




ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে এসে নরেন্দ্র মোদিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মোদিকে তাঁর ‘প্রকৃত বন্ধু’ বলেও বার বার উল্লেখ করতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। কিন্তু হঠাৎই যেন সেই সম্পর্কে ছন্দপতন। সম্প্রতি মোদিকে ট্যুইটারে আনফলো করে দিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউস।

গত মাসে ট্রাম্পের অনুরোধে আমেরিকায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পাঠায় ভারত। তার পরে হোয়াইট হাউজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের ফলোডের তালিকায় পরিবর্তন আসে। মার্চের শুরুর দিক থেকে মোদিকে ট্যুইটারে ফলো করা শুরু করেছিল হোয়াইট হাউজ। তিনিই হয়ে ওঠেন একমাত্র নন-আমেরিকান রাষ্ট্রনেতা যাঁকে হোয়াইট হাউস থেকে ফলো করা হচ্ছিল। একে একে হোয়াইট হাউজের ফলোডের তালিকায় যুক্ত হন  রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রীর দফতর, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস ও নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট।

তবে সেই বন্ধুত্ব বেশিদিন স্থায়ী হল না। তিন সপ্তাহের আগেই মোদিকে আনফলো করে দিল হোয়াইট হাউজ। শুধু মোদি নন, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতরকেও আর ফলো করে না হোয়াইট হাউস। একই ঘটনা ঘটেছে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস ও নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেও। আপাতত হোয়াইট হাউসের ফলোয়ার সংখ্যা ২২ মিলিয়ন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ফলো করছে ১৩ জনকে।

এমন একদিনে এই ঘটনাটি ঘটল যেদিন ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত মার্কিন কমিশন ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ধর্মীয় স্বাধীনতার নিরিখে বেশ খানিকটা নামিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত মার্কিন কমিশনটি।

আমেরিকা সরকারের কাছে তারা সুপারিশ করেছে যাতে, ভারতকে ‘নির্দিষ্টভাবে সমস্যাযুক্ত’ দেশের তালিকায় রাখা হয়। এই তালিকায় পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া, চিনের মতো ১৪টি দেশ রয়েছে যেখানে প্রতিদিন সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad