বর্ধমানের ফুডিস ক্লাব সংস্থা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১,00,000 টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়া হল।
এখনও বিভিন্ন হাসপাতালে পর্যাপ্ত কিট নেই। ডক্টর বন্ধুরা যারা আমাদের জন্য রাত দিন লড়াই করে যাচ্ছেন নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে ফ্রন্ট গ্রাউন্ডে লড়াই করে,তাদের জন্য আমরা কিছুই করতে পারছি না, বা ধরা যাক পেশেন্টদের ও ভালো ট্রিটমেন্ট যাতে হয়, আরও বেশি সংখ্যক টেস্ট যাতে প্রতিদিন এই রাজ্যে হতে পারে, ডক্টর,নার্সিং হোম স্টাফ রা যাতে আরও ভালো পরিষেবা পেতে পারে, এই সব কিছুর জন্য আমরা এখন অবধি কিছু ই করে উঠতে পাচ্ছিলাম না।
হ্যাঁ খাদ্য বিপ্লব হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু কোথাও গিয়ে দিনের শেষে নিজের কাছে নিজের কিছু হিসাব নিকেশ বাকি তো থেকেই যায়,তাই না??
আমরা কি করতে পারছি আমাদের ডক্টর বন্ধু দের জন্য?? বা আমরা কি এই ক্রাইসিস সিচুয়েশন এ কিছু করতে পারি না রাজ্য সরকার এর প্রতি ???
রাষ্ট্র আমাদের পাশে যদি থাকতে পারে ছায়ার মত,আমরা কি একটু থাকতে পারি না রাষ্ট্রের পাশেও এই দুর্দিনে ???
আমরা ফেসবুকে আর্জি জানিয়ে কিছু অর্থ সংগ্রহ করেছি ঠিক ই। কিন্তু এটাও ঠিক যে সেই অর্থ মানুষ আমাদের দিয়েছে এই শহরের বুকে সব্বাইকে খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য। তাই এই অর্থ আমরা অন্য কোনও কাজে সবার পারমিশন ছাড়া ব্যয় করতে পারি না। তাই আজ আমরা আমাদের পুঁজি ভাঙলাম। আমাদের অনাথ আশ্রম-এর জন্য বিগত দু বছরের জমানো অর্থ কিছুটা ভাঙলাম। সেখান থেকে এক লক্ষ টাকার একটা চেক আমরা তুলে দিলাম মাননীয় জেলা শাসক মহাশয় এর হাতে।
অনাথ আশ্রম আমাদের ড্রিম প্রজেক্ট।অনেক কষ্ট করে তিল তিল করে জমানো টাকা। তবে এটাও ঠিক যে এখন সারা দেশ ক্রাইসিস সিচুয়েশন এ যাচ্ছে। আমাদের স্বপ্ন আরও কিছুদিন অপেক্ষা করুক না হয়। অনাথ আশ্রম হোক বা না হোক, আজ আমরা যদি আমাদের রাষ্ট্র এবং ডক্টরদের পাশে না দাঁড়াতে পারি, তাহলে দিনের শেষে কোথাও নিজেদের কাছেই অপরাধী হয়ে যেতাম হয়তো।
রিলিফ ফান্ডের প্রাপ্ত অর্থ এখনো কয়েক দিন চলবে। সেই অর্থ ওই কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে এবং হবে।আজ এটুকু আমার দেশের মেডিকেল স্টাফদের জন্য উৎসর্গ রইলো।
এ ভাবেই সবাই মিলে লড়াই টা লড়ি আসুন। সংহতি জানাই আমাদের দেশকে। যারা ত্রান তহবিলে দান দিয়েছেন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ আমরা।
বিএফসি ট্রাস্ট

No comments:
Post a Comment