লকডাউনে বন্ধ চা বাগান। যার জেরে কার্যত ধস নেমেছে বাগানের অর্থনীতিতে। এমতাবস্থায় বাগানের বিদ্যুতের বিল দেরি করে দিতে চাইছেন মালিক কর্তৃপক্ষ। দেরি করে দেওয়াতে বিদ্যুৎ দপ্তরে পক্ষ থেকে যে অতিরিক্ত মাশুল বরাদ্দ করা হয় তাও মুকুব করতে এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না করার আবেদন করা হয়েছে মালিক পক্ষ থেকে।
শুক্রবার আলিপুরদুয়ার জেলার প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্স কন্যাতে চা বাগান মালিকদের নিয়ে বৈঠক করেন বিভাগীয় কমিশনা এবং জেলা শাসক। বাগান বন্ধ অবস্থায় চা গাছ বাচিয়ে রাখতে রাজ্য সরকার শুধু চা গাছে স্প্রে ও সেচের কাজের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু চা গাছের বড় হয়ে যাওয়া পাতা ছেঁটে ফেলার প্রস্তাব বাগান মালিক সংগঠন থেকে দেওয়া হয়।
চা বাগানে বাইরের রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের হোম কোয়ারিন্টানে বা চা বাগানের হাসপাতালে রাখা নির্দেশ দেওয়া হয়।যারা সেচ, স্প্রে র কাজ করছে তারাই মজুরি পাচ্ছেন। কিছু বকেয়া মজুরি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প জাতে সঠিক ভাবে বাস্তবতা পায় সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

No comments:
Post a Comment