তরমুজ চাষ করে লকডাউনে বিপাকে পড়েছেন দেওচড়াই গ্রামের দরিদ্র চাষিরা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 3 April 2020

তরমুজ চাষ করে লকডাউনে বিপাকে পড়েছেন দেওচড়াই গ্রামের দরিদ্র চাষিরা





করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। মানুষ ঘরবন্দি, বন্ধ দোকানপাঠ থেকে শুরু করে পরিবহন ব্যবস্থা। আর এই লকডাউনে তরমুজ চাষ করে বিপাকে পরেছেন দেওচড়াই গ্রামের দরিদ্র চাষিরা।




কালজানি নদীর চরে প্রতি বছরের মত এবছরও তোরমুজ চাষ করেছেন তুফানগঞ্জ ১ নম্বর ব্লকের দেওচড়াই গ্রামের তরমুজ চাষিরা। ব্যাংঙ্ক সহ অনান্য জায়গা থেকে টাকা ঋণ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন চাষিরা। জমি তৈরি থেকে শুরু করে প্রায় ৩ মাস মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ ফলিয়েছেন।




গত বছর প্রথম দিকে ১৬ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করে লাভের মুখ দেখেছিল তরমুজ চাষিরা। কিন্তু দেশজুড়ে লকডাউন চলায় বাইরে থেকে পাইকাররা আসতে না পারায় তারমধ্যে দোকান পাঠ বন্ধ। তাই এক লাফে তরমুজের দাম সাড়ে ৭ টাকায় নেমে এসেছে। ফলে দুশ্চিন্তায় পরেছেন দেওচড়াই গ্রামের তরমুজ চাষিরা। সমস্যা সমাধানের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে আবেদন জানিয়েছেন তারা।





তরমুজ চাষি আরাফুল আলোম ইসলাম বলেন "আমরা এখানে তরমুজ ক্ষেত করেছি বহু টাকা ব্যাংক সহ অনেক জায়গা থেকে ঋণ করে তরমুজ খেত করেছি। লকডাউনের জন্য তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে না। গত বছর প্রথম বাজারে আমি ১৬ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।





 এবার সাড়ে ৭ টাকা বলছে। বাইরে থেকে পাইকার আসতে পারছেনা। আমাদের কোন উপায় নেই। মমতা দিদির কাছে আমার আবেদন যদি কোনো উপায় থাকে আমাদের সুব্যবস্থা করার, তাহলে আপনি অবশ্যই সাহায্য করুন। তা না হলে আমরা মরে যাব।





তরমুজ চাষির আতোয়ার হোসেন বলেন, "লকডাউন চলছে আমরা তো এই মাল নিয়ে রাস্তায় যেতে পারছি না। রাস্তায় গেলে পুলিশ পেটাচ্ছে। এই মাল গুলো আমরা কার কাছে বিক্রি করব। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের যদি না দেখে তাহলে আমাদের দেখার মত কেউ নেই। একটা সুযোগ কৃষক কে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।"

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad