আজ হুগলি সংসদ লকেট চ্যাটার্জি তার সংসদীয় এলাকার এক কার্যালয় অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বললেন সংখ্যার বিচারে যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তথ্য প্রত্যেকদিন যে ওয়েবসাইটে দেখানো হচ্ছে। প্রত্যেকটা রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এই পরিসংখ্যান দেওয়া হচ্ছে সেখানে দাঁড়িয়ে আমাদের রাজ্যে একটা ওয়েবসাইটে জিজ্ঞাসা চিহ্ন দেওয়া আছে।
কেননা এই সরকার সবকিছুই আড়াল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এই আড়ালের মাধ্যমে আগামী দিন এই সংক্রামক ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।। সেই সঙ্গে তিনি বললেন ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে লকডাউন এর কার্যকারিতা সারাদেশব্যাপী করেছে সেটা সারাবিশ্বে প্রশংসনীয়। কিন্তু আমাদের এই রাজ্যে লকডাউন এর কার্যকারিতা বিষয়ে লকডাউন কিছু ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না।
লকডাউন এই মুহূর্তে অনেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর তাদের রাজ্যে এই মুহুর্তের পরিস্থিতি দেখে তারা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ১১ তারিখ প্রত্যেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ করবেন, সেখানে লক ডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হতে পারে।
এখনকার যা পরিস্থিতি অর্থাৎ তৃতীয় পর্যায় এর ভয়াবহতা সম্বন্ধে তিনি বলেন, লকডাউন বাড়ানো উচিত সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কথা তিনি তুলে ধরলেন। মানুষের জীবন-জীবিকা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দেখে দেখে মানুষকে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে তিনি বললেন রাজ্য সরকার এগুলো ঠিক হচ্ছে না। কেন্দ্র থেকে টাকা আসছে কিন্তু সেটা এখানে এসে কতটা কার্যকর হচ্ছে সেই বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলে দিলেন এবং রাজ্যে রাসায়নিক ব্যবস্থা নিয়ে তিনি রাজ্যকে একহাত নিলেন।
কেন্দ্রের দেওয়া যে চাল গম ডাল সেটা এরা যে কতটা কার্যকর করছে সেই বিষয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে কার্যত হুশিয়ারি দিলেন। দুঃস্থ অসহায় মানুষ যাতে ঠিকমতো রেশন পায় সেই বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করলেন।
এই মুহূর্তে যে সকল হসপিটাল গুলোতে ডাক্তার নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছে তাদেরকে বাহবা দিলেন এবং তাদের যাতে ফ্যামিলি সুরক্ষিত থাকে সেই বিষয়টি তিনি উল্লেখ করলেন। কেন্দ্রেরও রাজ্যের যে বিস্তর ফারাক সেটাও তিনি উল্লেখ করলেন। রাজ্যের মানুষকে তিনি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানালেন এবং যাতে এই লকডাউন মানা হয় এবং ঘরের মধ্যে থেকে সেদিকটা তিনি বললেন।

No comments:
Post a Comment