আবার সচেতনতার বার্তা। কখনো বাঁশের স্থায়ী অস্থায়ী বেড়া দিয়ে পোস্টার লাগিয়ে গ্রাম সিল করে বহিরাগতদের আটকানো ।আবার কখনো ভিন রাজ্যে কাজে যাওয়া যুবককে গ্রামে ফিরিয়ে তাদেরকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে হোম কোয়ারন্টিন রাখল গ্রামবাসীরা।
এবারের গন্তব্য স্থল বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিথারী গ্রামের ঘটনা ।গত ১১ দিনে লকডাউন এর জেরে বিভিন্ন রাজ্য থেকে ফিরে আসা গ্রামের যুবকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে পুলিশ প্রশাসনও স্বাস্থ্যকর্মীদের মেলবন্ধন তৈরি করে চিকিৎসা করানো।
করোনা সর্তকতা লকডাউন মান্যতা দিন বলে গ্রামবাসীরা ঘরবন্দি ও নজরে রাখছেন ।এমনকি এই শতাধিক শ্রমিকের মধ্যে বেশ কয়েকজনের জ্বর, সর্দি কাশি হয়েছিল তাদের চিকিৎসা করানো হয়েছে। পাশাপাশি তাদেরকে ১৪ দিনের হোমকোয়ারন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন গ্রামবাসী থেকে হাকিমপুর বিথারী পঞ্চায়েত প্রধান লিমা গাজী।
তামিলনাড়ু, কেরালা, মহারাষ্ট্র, গুজরাট সহ বেশকিছু রাজ্য থেকে গত ১১ দিনের বিভিন্ন তারিখে এরা গ্রামের ফিরেছেন। সব মিলিয়ে করোনা সতর্কতাঃ লকডাউন কিছু মানুষের হুশ ফিরলো। আবার কিছু মানুষ চায়ের দোকান, রাস্তার মোড়ে মোড়ে জমায়েত করে এমনকি বাজারে ভিড় জমাচ্ছে ।প্রশাসনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মানুষের কানে সচেতন তার বার্তা পৌঁছানোর পরও হুশ ফিরছে না।
রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কখনো পুলিশ গান করছে, আবার কখনো রক্ত দিচ্ছে, গ্রামে গ্রামে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। রাস্তাঘাটে লিফলেট ও পোস্টার ছড়াচ্ছে প্রশাসন।মানুষকে সচেতন করার জন্য। তাও মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব তা বারবার লক্ষ্য করা যাচ্ছে ।তাই এবার স্বরূপনগরের বিথারী গ্রামের মানুষ দিনও রাত্রে পাহারায় বসেছেন। সে বহিরাগত হোক, বা গ্রামের বাসিন্দা হোক।
তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করতেই হবেই এমনটাই ফতোয়া জারি করেছে বিথারী গ্রামের মানুষ।
পাশাপাশি স্থানীয় কলেজ পড়ুয়া রিপন গাজী, নিজের উদ্যোগে চাল, ডাল, সরষের তেল, আলু, বাচ্চাদের গুঁড়ো দুধ, মুড়ি, বিস্কুট, চিড়ে ঘর বন্দী থাকা গ্রামবাসীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে,যাতে দুই বেলা খাবারের অসুবিধা না হয়। তা সত্বেও মানুষ অবুঝের মতো, অকারণে চলাফেরা করছে।

No comments:
Post a Comment