উত্তর ২৪ পরগনা
জেলার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট থানার শরৎ
বিশ্বাস রোডে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনা। সত্তরোর্ধ্ব
বৃদ্ধ সুবল ভট্টাচার্য শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী। বৃদ্ধের বাড়ি বসিরহাট পৌরসভার
বদরতলা ১ নম্বর ওয়ার্ডে। আজ শুক্রবার ভোরবেলা বেরিয়েছিল। পরে আর বাড়ি ফিরে যেতে পারছিল না।
বয়সের ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে
রাস্তার ধারে পড়ে ছিলেন। ছুটে আসে একদল ছাত্র। বৃদ্ধকে তুলে শারীরিক
সুস্থতা করে তারা। তাকে খাওয়ানোর পর বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তৃণমূলের রাজ্য ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌমিক রায়
অধিকারী সহ ছাত্ররা ওই বৃদ্ধের শ্রুশ্রসা করেন। সেই সময় হঠাৎ বসিরহাট ট্রাফিকের ডিএসপি আধিকারিক দীপাঞ্জন চ্যাটার্জী গাড়ি নিয়ে
যাচ্ছিলেন।
দুপুর দুটোর সময় এই ঘটনা দেখতেই দাঁড়িয়ে পড়লেন। বৃদ্ধকে গাড়িতে তুলে নিয়ে তার নাম ঠিকানা জেনে নির্দিষ্ট জায়গায় নিজেই পৌঁছে দেন ।পাশাপাশি তার সব রকমের
খাওয়ার ব্যবস্থা করলেন। গাড়িতে উঠে মুখের চামড়া কুঁচকানো হাসি মুখে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়লেন বৃদ্ধ। ধন্যবাদ দিলেন পুলিশ প্রশাসনকে।
এই উদ্যোগ দেখে সাধারণ মানুষ
খুশি। আরও একবার পুলিশের সমাজের প্রতি
দায়িত্ব অনেক বেশি তা আবার প্রমাণ হলো। লকডাউন ও করোনা সংকটে রক্তের ঘাটতি মেটাতে
নিজেরাই রক্তদান শিবির করে নিজেরাই রক্ত দিচ্ছেন।
যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কখনো রাতের অন্ধকারে ভবঘুরে ও পথ কুকুরদের
খাবারের ব্যবস্থা করছেন।
আবার কখনো অনাথ আশ্রমের শিশু ও গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে
পৌঁছে দিচ্ছেন খাবার ।সব মিলিয়ে রাজ্যের এই সংকট মুহূর্তে পুলিশের মানবিক মুখ
দেখে গর্বিত রাজ্যের মানুষ।

No comments:
Post a Comment