লকডাউনের বাজারে উপার্জন হচ্ছে না কেরলের শবরীমালা মন্দির কর্তৃপক্ষের। দক্ষিণ ভারতের বহু মন্দিরের যাবতীয় কার্যকলাপ পরিচালনা করে থাকে ‘দ্য ত্রাভানকোর দেবশম বোর্ড। তারা এবার তাদের সাড়ে তিন হাজার কর্মীদের জানিয়ে দিয়েছে, আগামী মাসে বেতনে কাঁটছাট হতে পারে।
পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে ফান্ড নেই। সঞ্চিত অর্থ দিয়ে দীর্ঘদিন চলা সম্ভব নয়! কেরলের শবরীমালা মন্দির কর্তৃপক্ষ বিকল্প পথ হিসাবে ভক্তদের জন্য আনছে ডিজিটাল পুজো। এই পথ ধরে অর্থ উপার্জন সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, এখন থেকে অনলাইনে দেওয়া যাবে পুজো। করোনার জেরে সারা দেশে লকডাউন চলছে। লকডাউন বাড়লে দীর্ঘদিন আয়ের পথ বন্ধ থাকবে বলে আশঙ্কা করছে শবরীমালা মন্দির কর্তৃপক্ষ। কারণ, লকডাউনের সময় কেউই আর সশরীরে এসে মন্দিরে পুজো দিতে আসবেন না। ফলে প্রণামী জমা পড়ারও ব্যাপার নেই। তাই অনলাইনে পুজো দেওয়ার পথ খুঁজছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, অর্চনা, গণপতি হোমাম এবং নিরঞ্জনমের মতো পুজোর আচার যে কেউ বাড়িতে বসেও করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে পুজোর জন্য প্রণামী সংগ্রহ করা হবে ভক্তদের থেকে। সেটাও হবে অনলাইনে।

No comments:
Post a Comment