নিউ ইয়র্ককে কোয়ারেন্টিন করে রাখা হবে না; স্পষ্ট করলেন ট্রাম্প - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 30 March 2020

নিউ ইয়র্ককে কোয়ারেন্টিন করে রাখা হবে না; স্পষ্ট করলেন ট্রাম্প




হোয়াইট হাউসের করোনা ভাইরাস টাস্কফোর্সের সুপারিশেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে ট্রাম্প নিউ ইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কোভিড-১৯-এর বিস্তার কমাতে নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং কনেটিকাটের কিছু অংশে কোয়ারেন্টিন আরোপ করা হতে পারে বলে আভাস দিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে যত মানুষ করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে তার অর্ধেকই নিউ ইয়র্কের। এ পরিস্থিতিতেই শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেছিলেন,“এটি (নিউ ইয়র্ক)হটস্পট।এটিকে কোয়ারেন্টিনে রাখা ভাল হবে। আমি এ নিয়ে ভাবছি।” নিউ ইয়র্ক ফ্লোরিডার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

তবে ট্রাম্পের এ অবস্থান পাল্টে যায় নিউ ইয়র্কের গভর্নর এন্ড্রু কুয়োমোর বিরোধিতার পর।কুয়োমোর কথায়, নিউ ইয়র্ককে কোয়ারেন্টিনে রাখা ‘যুক্তিসঙ্গত’ হবে না। ভৌগলিকভাবে লোকজনকে রাজ্য থেকে বেরোনো বন্ধ করে দিলে সেটি হবে ‘লকডাউন’। এ ধরনের পদক্ষেপ ‘মার্কিন-বিরোধী’ সিদ্ধান্ত হবে বলেই মত তার।

কুয়োমো বলেন, নিউ ইয়র্ক এরই মধ্যে কোয়ারেন্টিনের পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে। যেমন:বড় ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করা। লোকজনদের বাড়ীতে থাকতে বলা। কিন্তু এর ওপর লকডাউনের মত কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার বিরোধী তিনি। কারণ,লকডাউন করলে অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যে ক্ষতি মাসের পর মাসেও কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব হবে।

এরপরই এক ট্যুইটে ট্রাম্প বলেন, নিউ ইয়র্ককে কোয়ারেন্টিন না করে বরং এর বদলে নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি ও কনেটিকাটের জন্য ‘কঠোর ভ্রমণ নির্দেশিকা’ ইস্যু করবে সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। ’

ট্রাম্পের এ ঘোষণার পরই সিডিসি তিন অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দাদের প্রয়োজন না হলে সব ধরনের ভ্রমণ থেকে আগামী ১৪ দিন বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী ও খাদ্য সরবরাহকারীরা এর আওতামুক্ত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad