নিজস্ব সংবাদদাতাঃ যে বাবার আশ্রয়ে আমরা নিজেদের নিরাপদ মনে করি সব থেকে বেশি, সেই বাবার হাতেই লাঞ্ছিত হল এক মেয়ে। চরম পাশবিকতার পরিচয় দিলেন এই বাবা দীপঙ্কর দাস, যা শুনলে কার্যত আঁতকে উঠবেন সকলেই।
বাবার হাতে মেয়ে নির্যাতিতা। প্রায় সাত মাস হল বিয়ে হয়েছে ডলি দাসের, স্বামী ঠিক মতন কাজ করে না এই অজুহাতে বাবা ডলিকে তার নিজের কাছে নিয়ে এসে রাখে এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। সাথে হুমকিও দেয়, কাউকে কিছু না বলতে। ডলি প্রতিবাদ করায় তার পিসি, ঠাকুরমা তাকে মারধর করে। এমনকি তার কাকাও তাকে নোংরা ভাষায় গালাগালি করে প্রতিনিয়ত। মায়ের সাথে ডলি দাসের বাবার ৬ বছর বছর হল বিচ্ছেদ। বাবা ও মা দুজনেই আলাদা থাকে। তাই এই ঘটনার বিন্দুবিসর্গ জানতেন না ডলির মা।
এসবের পাশাপাশি তাকে সাথে শারীরিক নির্যাতন করার পরও তার মেয়েকে ওষুধও খাওয়ানো হত, পরীক্ষা করার পর সবকিছু জানা যায়। এরপর ২৯ শে ফেব্রুয়ারি সকলে মিলে তাকে মারধর করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়। তখন সে মার কাছে গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং মাকে সব কথা খুলে বলে। তারপর ভক্তিনগর থানার অন্তর্গত আশিঘর ফাঁড়িতে অভিযোগ করেন ডলি। অবশেষে আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশ আজ বাবা দীপঙ্কর দাসকে ৩৬ নং ওয়ার্ড নিরঞ্জন নগর থেকে গ্রেফতার করে। এরপর এলাকার বাসিন্দারা আরও তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার জন্য থানা ঘেরাও করেন।

No comments:
Post a Comment