পৃথিবীটা ক্রমশ ছোটো হয়ে যাচ্ছে। ছোটো হতে হতে এখন মুঠো ফোন আর বোকা বাক্সেই বন্দি হয়ে গিয়েছে আমাদের জীবন, যার প্রভাব পড়ছে আমাদের মন থেকে শুরু করে শরীর- স্বাস্থ্যের ওপর। আমাদের সারাদিনের বেশিরভাগ সময় জুড়ে রয়েছে মোবাইল, ইন্টারনেট আর টেলিভিশন বা ল্যাপটপ। রাতেও নেই স্বস্তি। যেন, মোবাইলের সঙ্গে সহবাস না করলে ঘুমই আসে না আপামর নেটপাড়ার সদস্যদের।
আর এর প্রভাব পড়ছে আমাদের কাজকর্মের উপর। এমনকি রাতে নিয়মিতভাবে ৭ ঘণ্টা না ঘুমালে এর কুপ্রভাব নিজের সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়জনের শরীরের ওপরও পড়ে। এমনটাই জানাচ্ছে গবেষণা।
ঘুম নিয়ে গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গবেষকরা জানাছেন, রাতে ঠিকমত ঘুম না হলে তার প্রভাব পড়তে পরে আমাদের পরের দিনের কাজকর্মের উপর। গবেষণা বলছে, প্রতিদিন রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমানো খুব জরুরি। যদি কোনও ব্যক্তি ৭ ঘণ্টার কম ঘুমান তাহলে তাঁর মস্তিস্কের উপর চাপ পড়ে। এছাড়াও প্রতিদিন যদি এমন চলতে থাকে, তাহলে ধীরে ধীরে ওই ব্যক্তির স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হয়ে পরে। দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়।
তবে সম্প্রতি ‘ডুরোফেল্কস’ নামে একটি সংস্থা বিভিন্ন মানুষের হাইতোলার উপর গবেষণা চালিয়েছে। ওই সংস্থার গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, রাতে যদি আপনি ঠিকমত না ঘুমান তাহলে পরদিন অফিসের কাজকর্মের উপর তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পরে। এমনকি অফিসে কাজে এসেও রাতে ঠিকমত ঘুম না হওয়ার কারণে, বার বার হাই উঠতে পারে। আর আপনার এই হাই তোলা আপনার সহকর্মীর মস্তিস্কের উপরও প্রভাব ফেলে।
আর এর প্রভাব পড়ছে আমাদের কাজকর্মের উপর। এমনকি রাতে নিয়মিতভাবে ৭ ঘণ্টা না ঘুমালে এর কুপ্রভাব নিজের সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়জনের শরীরের ওপরও পড়ে। এমনটাই জানাচ্ছে গবেষণা।
ঘুম নিয়ে গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গবেষকরা জানাছেন, রাতে ঠিকমত ঘুম না হলে তার প্রভাব পড়তে পরে আমাদের পরের দিনের কাজকর্মের উপর। গবেষণা বলছে, প্রতিদিন রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমানো খুব জরুরি। যদি কোনও ব্যক্তি ৭ ঘণ্টার কম ঘুমান তাহলে তাঁর মস্তিস্কের উপর চাপ পড়ে। এছাড়াও প্রতিদিন যদি এমন চলতে থাকে, তাহলে ধীরে ধীরে ওই ব্যক্তির স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হয়ে পরে। দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়।
তবে সম্প্রতি ‘ডুরোফেল্কস’ নামে একটি সংস্থা বিভিন্ন মানুষের হাইতোলার উপর গবেষণা চালিয়েছে। ওই সংস্থার গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, রাতে যদি আপনি ঠিকমত না ঘুমান তাহলে পরদিন অফিসের কাজকর্মের উপর তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পরে। এমনকি অফিসে কাজে এসেও রাতে ঠিকমত ঘুম না হওয়ার কারণে, বার বার হাই উঠতে পারে। আর আপনার এই হাই তোলা আপনার সহকর্মীর মস্তিস্কের উপরও প্রভাব ফেলে।
জানা যাচ্ছে যে, অফিসে কোনও একজন কর্মী যদি কাজের ফাঁকে বারবার হাই তুলতে থাকে, তবে তাঁর প্রভাবে পাশের সহকর্মীরাও হাই তুলতে পারে। এর ফলে অফিসে কাজের মধ্যেই বারবার চোখে ঘুম নেমে আসতে পারে কর্মীদের। এরফলে প্রতিদিনের স্বাভাবিক কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটে মানুষের।
তবে ‘ডুরোফেল্কস’ নামের ওই সংস্থাটি বিভিন্ন মানুষের ঘুমের ধরন নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি মানুষের হাই তোলার উপরেও গবেষণা চালিয়েছে। সেখানেই উঠে এসেছে নয়া এই তথ্য। এমনকি আপনার হাই তোলার ধরণের ছবি তুলে যদি ওই সংস্থার ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেন, তাহলে আপনাকে বিশেষ প্রাইজ দেবে ‘ডুরোফেল্কস’।
তবে ‘ডুরোফেল্কস’ নামের ওই সংস্থাটি বিভিন্ন মানুষের ঘুমের ধরন নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি মানুষের হাই তোলার উপরেও গবেষণা চালিয়েছে। সেখানেই উঠে এসেছে নয়া এই তথ্য। এমনকি আপনার হাই তোলার ধরণের ছবি তুলে যদি ওই সংস্থার ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেন, তাহলে আপনাকে বিশেষ প্রাইজ দেবে ‘ডুরোফেল্কস’।

No comments:
Post a Comment