আজকের সময়ে ‘কাট-কপি-পেস্ট’ ছাড়া জীবনটা ভাবা কিন্তু বেশ অসম্ভব। মেল থেকে মেসেজ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট বা স্কুল-কলেজের প্রজেক্ট, জীবনের প্রতিক্ষেত্রে ওতঃপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে এই শব্দগুলি। এমনকি জীবনদর্শন বোঝাতেও এই তিন শব্দ বিরাট ভূমিকা নিয়েছে। মানুষ কেমন আছে তা নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই শব্দগুলি রূপকের মতন ব্যবহার হয়।
এই ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনে এই তিনশব্দের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়েছে এবং বুঝিয়েছে। সময় অপচয় থেকে কম লেখা, যাই হোক এই শব্দ ভিন্ন আঙ্গিকে হয়ে উঠেছে বিশেষ।
তবে জানেন কি, যে কার মস্তিষ্কপ্রসূত এই শব্দগুলি সক্রিয়ভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে প্রত্যেক মানুষের জীবনে? যাকে ধন্যবাদ দিতেই হবে, তিনি হলেন ল্যারি টেসলার।
ল্যারি টেসলার, কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং ‘Cut’, ‘Copy’, ‘Paste’-এর আবিষ্কর্তা, সম্প্রতি জীবনাবসান হয়েছে এই ব্যাক্তিত্বের।
টেসলারের জন্ম ১৯৪৫ সালে, স্ট্যান্ডফোরড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন পাশ করে ‘জেরক্সে’ চাকরি খুঁজতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়েই তাঁর ‘Cut’, ‘Copy’, ‘Paste’ শব্দের উদ্ভাবন। এইগুলি কম্পিউটাররের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত ফিচারের অংশ।
স্ট্যান্ডফোরডে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে তিনি কিছুদিন কাজ করেছিলেন, তাঁর গবেষণার মূল বিষয় – “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (artificial intelligence), কগনিটিভ মডেলিং, স্বাভাবিক ভাষার প্রতিরূপ (natural language representation) এবং সাঙ্কেতিক প্রোগ্রামিং ভাষা (symbolic programming languages)”, এমন তথ্যই পাওয়া গিয়েছে তাঁর LinkedIn পেজ থেকে।
এই ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনে এই তিনশব্দের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়েছে এবং বুঝিয়েছে। সময় অপচয় থেকে কম লেখা, যাই হোক এই শব্দ ভিন্ন আঙ্গিকে হয়ে উঠেছে বিশেষ।
তবে জানেন কি, যে কার মস্তিষ্কপ্রসূত এই শব্দগুলি সক্রিয়ভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে প্রত্যেক মানুষের জীবনে? যাকে ধন্যবাদ দিতেই হবে, তিনি হলেন ল্যারি টেসলার।
ল্যারি টেসলার, কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং ‘Cut’, ‘Copy’, ‘Paste’-এর আবিষ্কর্তা, সম্প্রতি জীবনাবসান হয়েছে এই ব্যাক্তিত্বের।
টেসলারের জন্ম ১৯৪৫ সালে, স্ট্যান্ডফোরড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন পাশ করে ‘জেরক্সে’ চাকরি খুঁজতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়েই তাঁর ‘Cut’, ‘Copy’, ‘Paste’ শব্দের উদ্ভাবন। এইগুলি কম্পিউটাররের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত ফিচারের অংশ।
স্ট্যান্ডফোরডে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে তিনি কিছুদিন কাজ করেছিলেন, তাঁর গবেষণার মূল বিষয় – “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (artificial intelligence), কগনিটিভ মডেলিং, স্বাভাবিক ভাষার প্রতিরূপ (natural language representation) এবং সাঙ্কেতিক প্রোগ্রামিং ভাষা (symbolic programming languages)”, এমন তথ্যই পাওয়া গিয়েছে তাঁর LinkedIn পেজ থেকে।
‘Xerox’-এর পাশাপাশি টেসলার বিশ্বের অনেক টেক-জায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেই তালিকায় রয়েছে অ্যাপেল, অ্যামাজন, ইয়াহু (Apple, Amazon, yahoo)।
কাট-কপি-পেস্টের জনক ল্যারি টেসলার ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখ অর্থাৎ সোমবার সকলকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪।
স্ট্যানফোর্ড আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স ল্যাবোরেটরিতে গবেষণার সময়েই কমপেল নামে সিঙ্গল অ্যাসাইনমেন্ট ল্যাঙ্গুয়েজ আবিষ্কার করেন তিনি। পরে জেরক্স পালো অল্টো রিসার্চ সেন্টারের সদস্য হন এবং সেখানে কাজের সময়েই ১৯৭০ সালে আবিষ্কার করেন কম্পিউটারের কাট-কপি-পেস্ট কম্যান্ড।
টেসলারের স্মৃতিতে Xerox-এর তরফে ট্যুইটে বলা হয়েছে, “কাট-কপি অ্যান্ড পেস্ট, ফাইন্ড অ্যান্ড রিপ্লেস এবং আরও অনেক কিছুর আবিষ্কর্তা ছিলেন জেরক্সের প্রাক্তন গবেষক ল্যারি টেসলার। তাঁর যুগান্তকারী উদ্ভাবনী ক্ষমতার দৌলতেই আজ সহজতর আপনার কর্মজীবন। সোমবার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ল্যারি, আসুন আমরা ওঁর জীবনের উৎসব উদযাপন করি।”
টেসলারের ওয়েবসাইট বলছে, Xerox-এ থাকাকালীন তিনি পরবর্তীকালের ‘পেজমেকার’ সফটওয়্যারের আদলে একটি পেজ লে-আউট প্রক্রিয়ারও উদ্ভাবন করেন। পাশাপাশি ‘নোটটেকার’ নামে প্রথম পোর্টেবল কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ডিজাইনও করেন তিনি।
স্ট্যানফোর্ড আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স ল্যাবোরেটরিতে গবেষণার সময়েই কমপেল নামে সিঙ্গল অ্যাসাইনমেন্ট ল্যাঙ্গুয়েজ আবিষ্কার করেন তিনি। পরে জেরক্স পালো অল্টো রিসার্চ সেন্টারের সদস্য হন এবং সেখানে কাজের সময়েই ১৯৭০ সালে আবিষ্কার করেন কম্পিউটারের কাট-কপি-পেস্ট কম্যান্ড।
টেসলারের স্মৃতিতে Xerox-এর তরফে ট্যুইটে বলা হয়েছে, “কাট-কপি অ্যান্ড পেস্ট, ফাইন্ড অ্যান্ড রিপ্লেস এবং আরও অনেক কিছুর আবিষ্কর্তা ছিলেন জেরক্সের প্রাক্তন গবেষক ল্যারি টেসলার। তাঁর যুগান্তকারী উদ্ভাবনী ক্ষমতার দৌলতেই আজ সহজতর আপনার কর্মজীবন। সোমবার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ল্যারি, আসুন আমরা ওঁর জীবনের উৎসব উদযাপন করি।”
টেসলারের ওয়েবসাইট বলছে, Xerox-এ থাকাকালীন তিনি পরবর্তীকালের ‘পেজমেকার’ সফটওয়্যারের আদলে একটি পেজ লে-আউট প্রক্রিয়ারও উদ্ভাবন করেন। পাশাপাশি ‘নোটটেকার’ নামে প্রথম পোর্টেবল কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ডিজাইনও করেন তিনি।

No comments:
Post a Comment