সাধারণ ক্লাসিসিজ্ম এবং নব্য-ক্লাসিসিজ্মের নিয়মানুবর্তিতা, সৌষ্ঠব, ভারসাম্য, আদর্শিকতা, স্থিরতা এবং যৌক্তিকতাকে বর্জনের মাধ্যমে রোম্যান্টিকতার উদ্ভব ঘটেছিল।
এছাড়া একে আলোকপ্রাপ্তি এবং অষ্টাদশ শতকের যুক্তিবাদ ও ভৌত বস্তুবাদের সাধারণ প্রতিবাদ হিসেবেও আখ্যায়িত করা যায়। রোম্যান্টিকতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল যুক্তিহীনতা, কল্পনা, স্বতঃস্ফূর্ততা, আবেগ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং লৌকিকতা বহির্ভূত স্বজ্ঞা। রোম্যান্টিক সাহিত্যিকদের অনেকে সাদা খাতা সামনে রেখে মনে যা আসত তা-ই লিখে যেতেন। সাহিত্যের উৎস হিসেবে চেতন মনের তুলনায় অবচেতন মনকে প্রাধান্য দিতেন।
রোমান্টিক কি
আপনি কি প্রেম করছেন? না মানে, আপনার কি কারও সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে? অনেকেই হয়তো এর উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলবেন। অথচ আপনি কি রোম্যান্টিক? এই প্রশ্নের উত্তর অনেকেই হুট করে দিতে পারবেন না। কারণ সত্যি কথা বলতে কি, প্রেম করলেই রোম্যান্টিক হওয়া যায় না। যদি আপনি সত্যিকারের রোম্যান্টিক হন, তাহলে আপনি আপনার সঙ্গীকে ভীষণ ভালোবাসেন। তাকে সুখী করার জন্য আপনি সবকিছুই করতে পারেন। বলা যায়, এই আচরণগুলো জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আপনার জীবনে প্রেম ধরে রাখবে। যেমন-
আপনার সঙ্গীর পছন্দের ফ্লেভারের কেকের উপর চকোলেট সস দিয়ে স্যরি লিখে ওর সামনে হাজির করুন। তবে ঝগড়ার পরের দিন। ভালো লাগবে।
রাতে ঝগড়া হলে পরদিন সকালে আয়নায় লিপস্টিক দিয়ে বড় করে স্যরি লিখতে পারেন। তবে খুব বেশি চেপে লিখে কাচটাই খারাপ করে দেবেন না।
চাইলে বেড টী টা আপনিই করুন। সঙ্গে দু লাইনের ছড়া লিখে দিন, মানে স্যরি সূচক। আর ছড়া না লিখতে পারলে হাসির নোট দিয়ে দিন প্লেটের উপর, ঠিক কাপের নীচে।
এত কিছু না পোষালে বেডসাইড টুলের পাশে লাল টুকটুকে একটা গোলাপ রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনার সঙ্গীরও ভালো লাগবে, আর মুখ ফুটে কিছু বলার হাত থেকে আপনিও বাঁচলেন।
টেক্সট মেসেজেও আপনার মনের ভাবটা স্পষ্ট করে বোঝান তাকে, তবে মেসেজ যেন খুব একটা লম্বা না হয়।
আর ব্যাপারটা যদি বার বার হতে থাকে, বা সমস্যা খুবই গুরুতর হয়, তবে একটা সারপ্রাইজ আউটিং প্ল্যান করুন বা কোনও হাল্কা গয়না কিনে উপহার দিন। দুনিয়ায় এমন কেউ নেই যার এগুলো ভালো লাগে না। আর তিনি-ও বুঝতে পারবেন আপনি কত কেয়ারিং, সাথে রোম্যান্টিকও।
আর ব্যাপারটা যদি বার বার হতে থাকে, বা সমস্যা খুবই গুরুতর হয়, তবে একটা সারপ্রাইজ আউটিং প্ল্যান করুন বা কোনও হাল্কা গয়না কিনে উপহার দিন। দুনিয়ায় এমন কেউ নেই যার এগুলো ভালো লাগে না। আর তিনি-ও বুঝতে পারবেন আপনি কত কেয়ারিং, সাথে রোম্যান্টিকও।
একটু অভিনবত্বের ছোঁওয়া চাইলে ফ্রিজ, দরজা, ওয়ার্ডরোবে একটা করে স্টিকি নোট রেখে দিন। মানে বাড়ী ফিরে যেই যেই জায়গায় সে যাবে। কেন আপনি আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসেন তা ছোট ছোট করে লিখুন।
তারপর ঝগড়া হলে বিছানায় বালিশের নীচে একটুকরো স্যরি লেখা কাগজ রেখে দিন। বরফ গলতে বাধ্য।
তারপর ঝগড়া হলে বিছানায় বালিশের নীচে একটুকরো স্যরি লেখা কাগজ রেখে দিন। বরফ গলতে বাধ্য।

No comments:
Post a Comment