করোনা আতঙ্ক; রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সঠিক সময় চাই সঠিক খাদ্য - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 29 March 2020

করোনা আতঙ্ক; রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সঠিক সময় চাই সঠিক খাদ্য





করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন ডাল, তিন-চার ধরনের শাকসবজি ও কমপক্ষে ২টি আস্ত ফল খেতে হবে। দিনে ২.৫-৩ লিটার জল পান করা জরুরি। প্রতিদিন নিয়ম করে কিছুটা ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করা উচিৎ। তবে যা-ই করুন বাড়ীর বাইরে যাবেন না।

সকালে উঠে অল্প গরম জল আর এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেলে গলার সমস্যা দূর হয়। একই সঙ্গে সর্দি, কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা সহ নানা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। কাঁচা হলুদ না থাকলে রান্নায় ব্যবহৃত খাঁটি গুঁড়া হলুদ গরম জলে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এর পর চা বা কফির সঙ্গে দুটি বিস্কুট।

সকালের জলখাবার থেকে রাতের খাবারের পরিমাণ হবে ওল্টানো পিরামিডের মতো। অর্থাৎ সকালের খাবার পরিমাণে অনেকটা বেশি। মধ্যাহ্নভোজ তার থেকে কম পরিমাণ আর রাতের খাবার অল্প।

সকালের জলখাবার: সকালে রুটি খাওয়া যেতে পারে। সঙ্গে ডিমসেদ্ধ, ডাল আর সালাদ। গাজর, বিনস সহ অন্যান্য সবজি দিয়ে ডাল ও ওটস খাওয়া যায়। গাজর, ক্যাপসিকাম, বরবটি সুজি ও সবজি দিয়ে চাওমিন রাঁধতে পারেন। আবার স্যুপ, সালাদ, ওমলেট খাওয়া যায়। পেটপুরে সকালের খাবার খাওয়ার পর মিড মর্নিংয়ে একটা লেবু, আপেল, পেঁপে, শসা বা যেকোনও একটা ফল অথবা ফ্রুট সালাদ দিলে বাচ্চা থেকে বড় সবাই খুশি হবে।

দুপুরের খাবার: সাধারণ বাঙালি খাবার- ভাত, ডাল, সবজি, মাছের ঝোল, শাকভাজা, লাউ, পেঁপে বা পটলের তরকারি খাওয়া যায়। তবে লকডাউনে এতসব সম্ভব না হলে সবজি দিয়ে ডাল, তরকারি, মাছের ঝোল, সালাদ আর দই বেশ পুষ্টিকর।

বিকেলের খাবার: ভেজানো ছোলা, বাদাম দিয়ে ঝালমুড়ি মুখরোচক আর পুষ্টিকর। চিনি ছাড়া লিকার চা আর বিস্কুট তো থাকবেই। তবে বাড়ীতে আছেন বলে একাধিক বার চা ও কফি পান মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। দিনে তিন-চারবারের বেশি চা-কফি পান করা ঠিক নয়।

রাতের খাবার: রাতের খাবার নয়টার মধ্যে খেয়ে নিতে পারলে ভালো হয়। খাবার অন্তত ২ ঘণ্টা পরে ঘুমানো উচিৎ। রুটি, ডাল, চিকেন সুবিধেমতো খাবেন। খাবার পর সহ্য হলে এক কাপ স্কিমড দুধ পান করলে ঘুম ভালো হয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad