অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অপরিষ্কার জল পান ইত্যাদি কারণে হতে পারে হজমে সমস্যা। বেশি ভারী ও তেল-মশলাযুক্ত খাবার খেলে শুরু হতে পারে পেটব্যথা, পেট ফাঁপা, ঢেকুর ওঠা ও ডায়রিয়ার মতো সমস্যা। বেশি খাওয়ার কারণে এই সমস্যাগুলো বেশিরভাগই হজমে গণ্ডগোল হয়।
এই হজমশক্তি নিয়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা জানান, খাবার গ্রহণের পদ্ধতিগত সমস্যার কারণে বদহজম হতে পারে। খেতে বসে তাড়াহুড়া করে ঠিকমতো না চিবিয়ে খেলে বদহজম হয়। কারও অসুস্থ দাঁতও বদহজমের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অতিরিক্ত খাওয়ার পর পেটে অস্বস্তি হলে হালকা গরম জলে এক চিমটি হলুদ আর লেবু মিশিয়ে খেলে পেটের অস্বস্তি দূর হয়। এছাড়া কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলে পেটের অস্বস্তি দূর হবে বলে পরামর্শ দেন তারা
।
।
হজমশক্তি ঠিক রাখা সুস্থতার অন্যতম চাবিকাঠি। তাই অনেকে বুঝতে পারেন না এ সময় হজমশক্তি বাড়াতে কী করবেন। এ জন্য মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। পরামর্শগুলো পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।
শারীরিক অনুশীলন
শরীর সচল রাখলে হজমও সহজ হবে। এ কারণে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বা অনুশীলনকে গুরুত্ব দেন বিশেষজ্ঞরা।
শরীর সচল রাখলে হজমও সহজ হবে। এ কারণে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বা অনুশীলনকে গুরুত্ব দেন বিশেষজ্ঞরা।
পর্যাপ্ত জল
বেশি জল পান করলে পরিপাকতন্ত্রও সঠিকভাবে আর্দ্র থাকে এবং হজম সহজ হয়। তবে খাবারের সঙ্গে বেশি জল পান করা যাবে না। খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে না কিছুক্ষণ পরে জল পান করুন।
বেশি জল পান করলে পরিপাকতন্ত্রও সঠিকভাবে আর্দ্র থাকে এবং হজম সহজ হয়। তবে খাবারের সঙ্গে বেশি জল পান করা যাবে না। খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে না কিছুক্ষণ পরে জল পান করুন।
এনজাইমযুক্ত খাবার খান
যেসব খাবারে এনজাইম আছে, সেসব বেশি করে খেতে হবে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে দই, দানাদার খাবার ইত্যাদি।এছাড়া আদা কিংবা পুদিনা পাতাও হজম সহায়ক।
যেসব খাবারে এনজাইম আছে, সেসব বেশি করে খেতে হবে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে দই, দানাদার খাবার ইত্যাদি।এছাড়া আদা কিংবা পুদিনা পাতাও হজম সহায়ক।
আঁশযুক্ত খাবার
খাবারের আঁশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেসব খাবারে পর্যাপ্ত আঁশ নেই সেসব খাবার সীমিত খাওয়াই ভালো। শাক-সবজি ও ফলমূলে পর্যাপ্ত আঁশ থাকায় সেগুলো খেতে হবে।
খাবারের আঁশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেসব খাবারে পর্যাপ্ত আঁশ নেই সেসব খাবার সীমিত খাওয়াই ভালো। শাক-সবজি ও ফলমূলে পর্যাপ্ত আঁশ থাকায় সেগুলো খেতে হবে।
সময়মতো খাবার গ্রহণ
খাওয়ার সময়টি যেন প্রতিদিন একই থাকে। শরীর পরবর্তী খাবারের সময় অনুযায়ী অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এবং সে অনুযায়ী পাচক রস নিঃসরণ করে। কিন্তু খাবারের সময় ঠিক না থাকলে এ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, হজমে গণ্ডগোল দেখা দেয়।
খাওয়ার সময়টি যেন প্রতিদিন একই থাকে। শরীর পরবর্তী খাবারের সময় অনুযায়ী অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এবং সে অনুযায়ী পাচক রস নিঃসরণ করে। কিন্তু খাবারের সময় ঠিক না থাকলে এ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, হজমে গণ্ডগোল দেখা দেয়।
চা-কফি সীমিত
কয়েক কাপ চা-কফি পান করতে বাধা নেই। বাড়তি ক্যাফেইন পেটে গেলে হজমশক্তি কমে যায়। এ ছাড়া খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা পরে চা-কফি পান করতে হবে।
কয়েক কাপ চা-কফি পান করতে বাধা নেই। বাড়তি ক্যাফেইন পেটে গেলে হজমশক্তি কমে যায়। এ ছাড়া খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা পরে চা-কফি পান করতে হবে।

No comments:
Post a Comment