নিজের সাংসদ তহবিল থেকে ৮ কোটি টাকা ও ব্যাক্তিগত এক মাসের বেতন অনুদান দিলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। করোনা প্রতিরোধে ইতিমধ্যেই এই বিশেষ তহবিলে জমা করার পদক্ষেপও নিয়েছেন তিনি।
জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের জন্য তার অনুদান ৫ কোটি টাকা। রাজ্যের জরুরি ত্রাণ তহবিলে ১ কোটি। করোনা জন্য একমাত্র হাসপাতাল বেলেঘাটা আইডির জন্য ৫০ লক্ষ টাকা। সালবনি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এর জন্য ৫০ লক্ষ টাকা। এমসিডি উত্তর দিল্লির জন্য ৫০ লক্ষ টাকা। দক্ষিণ পূর্ব দিল্লির জন্য ১০ লক্ষ টাকা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার উন্নয়ন প্রকল্পে ৫০ লক্ষ টাকা।
এই বিষয়ে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় জানান, টাকা তো আমার নয়। সাধারণ মানুষের টাকা। সাধারণ মানুষের কাজেই খরচা করতে দিয়েছি। আমি শুধু সুযোগ পেয়েছি টাকা দেওয়ার। আমার সেই ক্ষমতাটুকু দেওয়া হয়েছে তাই আমি সাধারণ মানুষের জন্য শুধু সেটুকু করেছি।
তিনি আরও জানান, যেখানে ভয়ানক বিপদের সম্মুখীন গোটা দেশ সেখানে মানুষের জন্য এটুকু করতে পেরে আমি গর্বিত। আমি শুধু খতিয়ে করে দেখেছি কোন কোন জায়গায় টাকা দেওয়া দরকার সেই সেই জায়গাতেই টাকা দিয়েছি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য।
উল্লেখ্য, করোনা-যুদ্ধে দেশকে পথ দেখিচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাজ্যে আপদকালীন ত্রাণ তহবিল গড়েছেন অনেক আগেই। দেশে সেরকম একটি ত্রাণ তহবিল গড়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপির কিছু সাংসদ বিভিন্ন জেলাশাসককে সাংসদ তহবিল থেকে করোনা মোকাবিলায় পরিকাঠামো তৈরিতে টাকা দেওয়ার কথা দলের টুইটারে জানিয়েছিলেন।
দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা জানিয়েছেন তিনি ১ কোটি টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায় সাংসদ তহবিল থেকে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন রাজ্যে ত্রাণ তহবিলে। ঘাটালের সংসদ দীপক অধিকারী নিজের সংসদ তহবিল থেকে এলাকার জন্য ১ কোটি টাকার আর্থিক অনুদানের কথা ঘোষণা করেন। শ্রীরামপুরের সংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment