বৃহস্পতিবার ফের ধস নামল শেয়ার বাজারে। সকালে বাজার খুলতেই ১৭৭৫ পয়েন্ট নেমে গেল সেনসেক্স। বেলা গড়াতে দেখা গেল সেনসেক্সের পতন ১৯০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। নিফটির সূচক নামল ৮১০০ পয়েন্টে।
করোনার জেরে বিশ্বজুড়েই আর্থিক মন্দা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেয়ার বিক্রির ধূম পড়ে গেছে লগ্নিকারীদের মধ্যে। অধিকাংশ স্টকের পাশেই এখন লালই লাল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত নিফটি সেনসেক্স ও নিফটি উভয় সূচকেরই পতন হয়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ।
ভাইরাস আতঙ্কে গত শুক্রবারও মুখ থুবড়ে পড়েছিল সেনসেক্স, নিফটি। সূচকের এমন পতন হয়েছিল যে ৪৫ মিনিট বন্ধ রাখতে হয়েছিল শেয়ার কেনেবেচা। সেই রক্তক্ষরণ এখনও থামেনি।
মুখ তুলে ঘুরে দাঁড়ার কোনও সম্ভাবনা এখনও দেখা যাচ্ছে না। বুধবারও সেনসেক্স নেমে গিয়েছিল ২৮ হাজারের ঘরে। সর্বনিম্ন পতন হয়েছিল ১৯০০ পয়েন্টেরও বেশি। নিফটি নেমে গিয়েছিল সর্বনিম্ন ৫৬০ পয়েন্টে।
করোনা আতঙ্ক বিশ্বজোড়া মহামারীর আকার নেওয়ার পর থেকে বন্দর দিয়ে পণ্যের আসা–যাওয়া বন্ধ, বিমানবন্দর প্রায় ফাঁকা, আমদানি–রপ্তানি আটকে যাচ্ছে। অশোধিত তেলও বিক্রি হচ্ছে কম।
বিশ্লেষকদের দাবি, আন্তর্জাতিক ব্যবসার পথ বন্ধ হলে, বিভিন্ন দেশ যেমন তাদের সব পণ্য বেচতে পারবে না, তেমনই সেগুলি তৈরির পথও আটকে যেতে পারে।শেয়ার বাজারে আরও ধস নামতে পারে।
কারণ, বিমান পরিষেবা, রিটেল ব্যবসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

No comments:
Post a Comment