বর্তমানে করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্কের শেষ নেই। তবে আতঙ্কিত হলে এই ভাইরাস থেকে নিষ্পত্তি পাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের সকলকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে সবথেকে বেশি যারা আতঙ্কিত রয়েছেন তারা হলেন আমাদের স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাফাই কর্মী।
যারা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রোগীদের সংস্পর্শে আসছেন, যাদের নিজস্ব প্রতিরোধের জন্য সরকারি তরফে চেষ্টা করা হলেও সার্বিকভাবে এত অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুরোপুরি সম্ভব নয়। অর্থাৎ এই কর্মীদের এই মুহূর্তে সব থেকে যেটা বেশি প্রয়োজন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক মাস্ক।
স্বাস্থ্য দপ্তর এর তরফ থেকে তাদেরকে যে ধরনের মাস্ক দেওয়া হয় তা দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা যায় না যার ফলে প্রতিদিনের ব্যাপক চাহিদার জন্য একটা সাময়িক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয় কারণ সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই মাস্ক ব্যবহারের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে শুধু সরকারি তরফে সমস্ত কিছুর ব্যবস্থাপনা আমাদের মতো দেশে খুব দ্রুততার সঙ্গে করে উঠা সম্ভব নয়। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের কিছু দায়িত্ব কর্তব্য থাকে । তাই আমাদের স্বাস্থ্যকর্মী ও সাফাই কর্মীদের কথা মাথায় রেখে খুব কম খরচে (একসঙ্গে বেশি সংখ্যাক তৈরি করলে এক একটির মূল ৫ টাকা পরবে )।
সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ঘরোয়া ভাবে মাস্ক তৈরি করেছি যা আমাদের স্বাস্থ্যকর্মী ও সাফাই কর্মীদের সহায়ক হবে বলে আশা রাখি, এবং এই মাস্ক গুলি নিয়মিত ব্যবহার করা যাবে এবং ১৫-২০ দিন অন্তর অন্তর এর ফিল্টার পল্টে নিলে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে, যদি সরকার মনে করেন এই সহজতম পদ্ধতিটিকে গ্রহণ করবেন তাহলে সব রকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।
আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা সুরক্ষিত না থাকলে আমরা কেউই সুরক্ষিত থাকতে পারবো না। কারণ, তারা কোন কারণে সংক্রমিত হলে এই ভাইরাস আরো দ্রুততার সঙ্গে বহু মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্র যাকে আমরা নিরাপদ হিসেবে মনে করি সেটাও আর নিরাপদ থাকবে না।

No comments:
Post a Comment