বুধবার সকালে ২৭৭ জন যাত্রী থেকে নিয়ে তেহরান থেকে যোধপুরে ফিরল বিমান৷ এঁদের প্রত্যোকেই স্ক্রিনিং করা হচ্ছে৷ মঙ্গলবার রাত ৮টায় জাতীর উদ্যেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন মঙ্গলবার রাত থেকেই সব বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে৷ কিন্তু বুধবার সকালেই তেহেরান থেকেই ২২৭ জন যাত্রীকে নিয়ে যোধপুরে নামল বিমান৷ এঁদের মধ্যে অধিকাংশ তীর্থযাত্রী৷ যাঁদের অধিকাংশ লাদাখের বাসিন্দা৷
এদিকে করোনা ভাইরাসে মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে তেহেরান-সহ পুরো ইরানে৷ এখনও পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি মানুষ ইরানে এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত৷ মারা গিয়েছেন দেড় হাজেরের বেশি৷
গত সপ্তাহেই লাদাখের তিন বাসিন্দা ইরানে তীর্থ করতে গিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন৷ শুধু তাই নয়, গত সপ্তাহে কেন্দ্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, ইরানে ২৫৫ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রীর শরীরে COVID19 ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে৷
১৯ মার্চ ইরানে এক ভারতীয়র মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল ভারত সরকার৷ কিন্তু সেখান থেকেই এদিন দেশে ফিরল বিমান৷
তবে বিমান থেকে নামার পর প্রত্যেকের স্ক্রিনিংয়ের পর যোধপুরের মিলিটারি স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেনাবাহিনী রাজস্থান স্ট্রেট মেডিকেল অথরিটির এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে সঙ্গে যোগযোগ করে এই সব যাত্রীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে৷ আর্মির চিকিৎসকরা এই ক্যাম্পে ওদের চিকিৎসা করবেন৷

No comments:
Post a Comment