নোবেল করোনা ভাইরাস যাতে রাজ্যে ঢুকতে না পারে তার জন্য সীমান্তে নজরদারি। উত্তর ২৪পরগনার বসিরহাটের ঘোজাডাঙা বর্ডারে বিশেষ সর্তকতা। বাংলাদেশী অথবা কোন বিদেশী বর্ডার দিয়ে ঢোকার সময় ১৫/২০দিনের মধ্যে আক্রান্ত দেশ গুলিতে সফর করেছেন কি না। জ্বর সর্দি কাশি বা কোন ভাইরাল ফিবারে আক্রান্তদের উপর বিশেষ ভাবে নজর রাখছে জেলার সাস্থ দফতর ও সীমান্তের অভিবাসন দফতর।
বাংলাদেশ থেকে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শ' মানুষ যাতায়াত করে। বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর বা অন্যান্য জায়গা থেকে যারা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকছেন তাদের সাস্থ ও গতিবিধির রিপোর্ট প্রতিদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানো হচ্ছে।
বাংলাদেশিরা ভারতে আসছে মুখে মাক্স পরে। এদিকে বসিরহাট জেলা সাস্থ বিভাগ নোবেল করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করতে তৈরী জানালেন চিফ মেডিকেল অফিসার দেবব্রত মুখার্জি। রাজ্য সাস্থ দফতরের নির্দেশে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান আধিকারিক।
ঘোজাডাঙ্গা অভিবাসন দপ্তরের সুপার নিতাই লাল মন্ডল বলেন মূলত করোনার মত মারাত্মক জীবাণুর হাত থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে সতর্কতামূলক শিবিরে বিদেশীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment