প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির
অনুরোধ মেনে আজ রবিবার প্রায় সারা ভারত স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি হয়ে জনতা কার্ফু সমর্থন
করেছে। আজ সকাল সাতটা থেকে শুরু হওয়া সাধারন মানুষের নিজেদের উপর নিজেরা আরোপিত
জনতা কার্ফু উঠবে রাত ৯ টায়। গত বৃহস্পতিবার জনতা কার্ফুর আবেদন করেছিলেন দেশটির
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এদিন সকাল সাতটার
কিছু আগে তিনি ট্যুইট করে বলেন, এই কার্ফু কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়তে অনেকটা
সাহায্য করবে সবাইকে। এখন নেওয়া এই পদক্ষেপের ফল মিলবে পরে। সকলে বাড়িতে থাকুন
সুস্থ থাকুন।
এদিন সকালে ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ট্যুইট
করে লেখেন, তিনি রবিবার বাড়ি বসেই কাজ করছেন। ভারতের বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা
দেশবাসীকে অনুরোধ করেন, জনতা কার্ফুকে সম্মান জানিয়ে বাড়িতে থাকতে।
এদিন সকালে ভারতের
রাজধানী দিল্লিতে দেখা যায়, রাস্তায় অপ্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়া মানুষদের লাল
গোলাপ দিচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। সারা ভারত জুড়ে প্রায় সমস্ত ট্রেন ও সরকারি বা
বেসরকারি বাসের চাকা বন্ধ। ট্যাক্সিও চলছে হাতে গোনা মাত্র। বাজার দোকানপাটের ঝাঁপ
ফেলা। এরফলে বিমানবন্দর বা স্টেশনে নামা যাত্রীরা নিজেদের গন্তব্যে ফিরতে চরম
ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভারতের মাটিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এই জনতা কার্ফুর
মাধ্যমে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে আরও বড়ো মাপের লক ডাউনের পথে হাঁটতে পারে সরকার।
সামাজিক দূরত্ব তৈরি করতেই মানুষের স্বার্থে এই জনতা কার্ফু ডাকা হয়েছে। স্টেজ ২
থেকে করোনা সংক্রমণ যাতে স্টেজ ৩ এ না পৌছাতে পারে সেই লক্ষ্যেই এই জনতা কার্ফু।

No comments:
Post a Comment