আজ (এ আরডি ) দপ্তরের অতিরিক্ত চিফ সেক্রেটারি বি.পি.গোপালিকা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বুনিয়াদপুর সার্কিট হাউসে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণে জেলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর এই উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কি কি ব্যবস্থা নিয়েছে সে বিষয়েই অতিরিক্ত চিফ সেক্রেটারির এই জেলা পরিদর্শন বলে জানা যায় ।
আজ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর সার্কিট হাউসে জেলা শাসক নিখিল নির্মল ,পুলিস সুপার দেবর্ষী দত্ত ,মহকুমা শাসক ও বিভিন্ন ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকদের সঙ্গে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতার বিষয়টি আলোচিত হয় এবং স্বাস্থ্য দপ্তর এই পরিস্থিতিতে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সে বিষয় সম্পূর্ণ তথ্য নেন।
বৈঠক শেষে বি.পি গোপালিকা পরিদর্শন করেন গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড ও কুশমণ্ডি আইটিআই কলেজে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র। এছাড়াও বংশীহারি ব্লকের মহাবাড়ি এলাকায় স্বনির্ভর দলকে দিয়ে তৈরী করা স্যানিটাইজারের মান পর্যবেক্ষণ করেন তিনি । অতিরিক্ত চিফ সেক্রেটারি বি.পি গোপালিকা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের সার্বিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন বলে জানা যায়।
অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (প্রাণী সম্পদ দপ্তর ) বি পি গোপালিকা বলেন , জেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে কি পরিস্থিতি রয়েছে সে বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সাথে বৈঠক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তর করোনা মোকাবিলা করার জন্য আগাম কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন সে বিষয় দেখা হয়েছে। বাইরে থেকে যারা আসছেন তাদেরকে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখার কথা বলা হচ্ছে ১৪ দিনের জন্য।
বহিরাগত কোনো ব্যাক্তি যদি গ্রামে আসার পর এসে ঘুরে বেড়ায় তার জন্য জেলার হেল্পলাইন নাম্বারে জানান।এছাড়াও গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানান তিনি । দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত পজিটিভ কোনো কেস নেই। ভয় পাওয়ার বা আতঙ্কিত হবার কোনো কারণ নেই বলে জানান তিনি।
জেলা শাসক নিখিল নির্মল বলেন অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (প্রাণী সম্পদ দপ্তর ) বি পি গোপালিকা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে জেলা প্রশাসনের সাথে বৈঠক করেন ; আমাদের রিভিউ মিটিং ছিল আমরা কি কি পদক্ষেপ নিয়েছি তা জানানো হয় তাঁকে। অতিরিক্ত মুখ্য সচিব আমাদের গঙ্গারামপুরে আইসোলেশন ওয়ার্ড দেখেন ও কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেছেন কুশমন্ডি তে।
এছাড়াও আমাদের জেলার সংঘের মহিলারা হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী করেছেন সে কাজ ঘুরে দেখেন। এই পর্যন্ত আমাদের জেলায় ১৩৬৯ জন হোম কোয়ারান্টাইনে রয়েছে এবং তারা সকলেই বাইরে থেকে এসেছে। আমরা তাদের উপর নজরদারি করছি।
বাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার না পাওয়ার জন্য আমরা খুব অল্প দামে স্যানিটাইজার তৈরী করছি খুব শীঘ্রই বাজারে পাবেন সাধারণ মানুষ। জেলাবাসীর উদ্যেশ্যে তিনি বলেন - স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ মেনে চলুন এবং সচেতন থাকুন ;সাধারণ মানুষের পাশে আমরা রয়েছি।

No comments:
Post a Comment