রাজ্য সরকারের পতঙ্গ বাহিত রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক মাঠে নেমে গেলো গ্রামীন সম্পদ কর্মীরা । এদিন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাড়োয়া ব্লকে গ্রামীন সম্পদ কর্মী দের উদ্যোগে আয়োজিত হল পতঙ্গ বাহিত রোগ বিষয়ক সচেতনতা শিবির ও করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও সুঅভ্যাস গড়ে তোলার কৌশল শেখানো হয়।
করোনা ভাইরাস নিয়ে ও মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বর বিষয়ক সচেতনতা তথা এলাকা পরিস্কার রাখার বার্তা দেন সম্পদ কর্মী সংগঠনের রাজ্য সভাপতি মিজানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন সম্পদ কর্মী কৌশিক মন্ডল, জুলফিকার শেখ, সুজয় প্রামাণিক।
এ দিনের এই সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানে যদিও আক্ষেপ এর সুর শোনা যায় ভিআরপি দের মধ্যে। পতঙ্গ বাহিত রোগ প্রতিরোধ করতে গিয়ে ভিআরপিদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। না আছে পোষাক না আছে আইডি কার্ড। কিছু কিছু ভিআরপি রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতে আইডি কার্ড না থাকার জন্য আক্রান্ত হয়েছেন।
ডেঙ্গি কবলিত এলাকা থেকে পাত্র ধ্বংস করতে বা রিপোর্ট তুলতে গিয়ে ভিআরপিরাই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন । এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে গিয়ে হাড়োয়া ব্লক সম্পদ কর্মী সংগঠনের শিউলি বিশ্বাস ও মনুয়া খাতুনরা। বলেন সরকারকে ভিআরপিদের উপযুক্ত নিয়োগপত্র সহ আই কার্ড ও স্বাস্থ্য সাথীর সুযোগ দিতে হবে।
তাঁরা আরো বলেন রাজ্য সরকারকে ভিআর পি দের পাশে দাঁড়িয়ে দুবেলা দুমুঠো ডাল ভাত এর ব্যবস্থা করতে হবে। ভি আর পি কর্মী গায়ত্রী মন্ডল , সাবেরা আহমেদ রা দাবি করেন তাদের দিয়ে সারা মাস কাজ করিয়ে নিয়ে সরকার মাত্র তিন হাজার টাকা ভাতা দেয়। এই টাকা আবার পেতে তিন চার মাস সময় লেগে যায়। তাই বাংলার ৩৩ হাজার ভি আর পির ভবিষ্যত অন্ধকারাচ্ছন্ন, মানবিক ভাবে সরকার কে তাদের পাশে থাকার আহ্বানও জানানো হয় এই মঞ্চ থেকে।
এ দিনের এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন হাড়োয়া ব্লকের প্রায় আশি জন মহিলা ভিআরপি।প্রসঙ্গত ইতিমধ্যে ভি আর পি দের দাবি দাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী কে লিখিত আকারে জানিয়েছেন রাজ্যের ৩৩ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী ।

No comments:
Post a Comment