জেলার চা বাগান এলাকাগুলিতে করোনা মোকাবেলায় কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার জেলার প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যায় জেলার ৬৩টি চা বাগানের ম্যানেজারদের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন জেলা শাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা ও জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
বৈঠকেই বেরিয়ে আসে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্যা।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে জেলা প্রশাসনের কর্তারা লক্ষ্য করেন যে জেলার ৬৩টি চা বাগানের মধ্যে মাত্র ৩১টি চা বাগানে নোডাল অফিসার আছেন।যাঁদের দায়িত্ব বিপদে আপদে জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় রক্ষা করা।
চা বাগান কর্তৃপক্ষই ওই আধিকারিকদের নিয়োগ করে থাকেন।বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই অভিযুক্ত চা বাগান গুলির বিরুদ্ধে অতিমহামারি আইনের আওতায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। কারন জেলা প্রশাসন মনে করছে জেলার চা বাগান এলাকা গুলিতে একবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিলে তা যেকোনো মুহূর্তে মহামারির আকার ধারন করতে পারে।
বিশেষ করে জেলার বন্ধ ও রুগ্ন চা বাগান গুলি থেকে বহু শ্রমিক কাজের জন্য ভিনরাজ্যে গিয়েছেন।হালে দেশ জুড়ে করোনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ওই শ্রমিকরা নিজেদের ঠিকানায় ফিরে আসতে শুরু করেছেন।জেলার ব্লক প্রশাসন গুলিকে ওই সব বহিরাগত শ্রমিকদের গতিবিধির উপর কড়া নজরদারি চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ওই ভাবে কেউ চলে আসার সাথে সাথেই জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সক্রিয় হয়ে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করবে।এছাড়াও চা বাগান গুলিতে অযথা ভীড় জমাতে নিষেধ করা হয়েছে।নিয়মিত ভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে শ্রমিকরা যাতে নিজেদের পরিচ্ছন্ন রাখেন সেই দিকেও চা বাগান গুলিকে জোর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

No comments:
Post a Comment