তাঁত
শিল্পের বিকাশে ভরতুকি দিচ্ছে সরকার। তাঁতশিল্পীরা উৎপাদন খরচে ভরতুকি পাবেন। ফলে
কমছে তাঁতের শাড়ির দাম। আর সেই শাড়ি কেনার একটাই শর্ত, রেশন কার্ড দেখাতে হবে। আর সেই শাড়ি মিলবে রাজ্য সরকারে
অধীনস্থ তন্তুজের এক্সক্লুসিভ শোরুম থেকেই।
এবার ভরতুকিযুক্ত শাড়ি কিনে সেই
সাধপূরণের সুযোগ পাবেন তাঁরা।রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁত শিল্পের বিকাশ ও
তন্তুবায়দের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছেন। তার মধ্যে অন্যতম তাঁত
শিল্পীদের ভরতুকি প্রদান।
তিনি জানান, তাঁতশিল্পীরা সরাসরি তাঁত বস্ত্র যাতে বিক্রি করতে পারেন সে
কারণে কালনা মহকুমার ধাত্রীগ্রাম ও শ্রীরামপুরে তাঁতের হাট গড়া হয়েছে। সেখানে
সরাসরি তাঁতিরা এসে তাঁদের উৎপাদিত সামগ্রী বিক্রি করতে পারছেন। সাধারণ নাগরিকরা
কিনতেও পারছেন। আবার বড় ব্যবসায়ীরাও সেখান থেকে একলপ্তে প্রচুর তাঁতবস্ত্র কিনে
নিয়ে গিয়ে অন্যত্র বিক্রি করতে পারছেন। পাশাপাশি, সহযোগিতার
হাত বাড়িয়েছে তন্তুজও।
৫০০-১০০০
টাকার মধ্যে শুরু হবে শাড়ির দাম। আবার সেখানে ৯৬ হাজার টাকা দামেরও শাড়িও মিলবে।
ভরতুকিযুক্ত শাড়ির দাম সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকার মধ্যে থাকবে। শোরুমে সকলেই তাঁতের
শাড়ি কেনার সুযোগ পাবেন। স্বপনবাবু বলেন, “ভরতুকিযুক্ত শাড়ি কিনতে গেলে
ক্রেতাদের সঙ্গে করে রেশন কার্ড আনতে হবে।
কারণ, রেশন কার্ডের মাধ্যমেই বোঝা যাবে ক্রেতার আর্থিক অবস্থা
কেমন। মন্ত্রী জানান, এই ভরতুকিযুক্ত শাড়ি উৎপাদন
করে তাঁতিরা উপকৃত হচ্ছেন। তাঁরা সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন। তাঁদের শাড়ির দামও কম
রাখতে পারছেন। আবার ক্রেতাও ভরতুকির সুবিধা পাচ্ছেন।

No comments:
Post a Comment