দূর্গা পূজা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলেই উনি গান বাধেন।উনি একজন লোক শিল্পী।নাম তরণীমোহন বিশ্বাস।বাড়ি রায়গঞ্জ ব্লকের কাশীবাটি গ্রামে।পৃথিবী জুড়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। গ্রামগঞ্জের মানুষ লোকগানকে বিশেষ গুরুত্ব দেন।তাই "করোনা বধ করিতে…..., গোলা বারুদ লাগবে নারে.....।এই গান গেয়েই গ্রাম গঞ্জে ঘুরছেন তরনীবাবু।
মানুষ সচেতন হলেই করোনার মত মারন ভাইরাসকে প্রতিরোধ কিরা সম্ভব।তাই অন্যদের মত নিজেই সচেতনতার লোকগান বাধলেন কাশীবাটির লোকশিল্পী তরনীমোহন বিশ্বাষ।তিনি গান বেধে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন নি।সেই গান মানুষের কাছে পৌছে দিতে গাঁগঞ্জে গেয়ে চলেছেন তরনীমোহনবাবু।বয়স প্রায় ৭০ বছর।
সারা পৃথিবীর সঙ্গে এরাজ্যের মানুষকে বাঁচাতে সচেতনার প্রচার করছেন। তার গানের দুটি একটি কলি শুনি এসো ভাই দেশটারে করোনা মুক্ত করি তাড়াতাড়ি"। লক ডাউন চলা অবস্থায় প্রচারে কিছুটা বেঘাত ঘটেছে।
গোটা দেশজুড়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলছে লক ডাউন। লক ডাউন সফল করতে যথেষ্ট তৎপর এরাজ্যের প্রশাসন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সাধারন মানুষের কি কি করনীয় তা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে বিভিন্ন ভাবে সচেতন করার কাজ চলছে।
বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাধারন মানুষকে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করে তার ব্যাবহার করার জন্য পরামর্শ দিয়ে চলেছে। সমাজের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মোকাবিলায় মানুষকে সচেতন করতে অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের কাশিবাটি গ্রামের বাসিন্দা প্রখ্যাত লোকসঙ্গীত শিল্পী তরনীমোহন বিশ্বাস। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ নিয়ে একটি সচেতনতামূলক গান লিখেছেন তিনি।
শুধু গান লেখাই নয়, নিজেই তার সুর দিয়ে গেয়েছেন এই লোকসঙ্গীত শিল্পী। সমাজের সর্বস্তরের সাধারন মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে নিজের লেখা গান নিজেই সুর দিয়ে গান গেয়েছেন তিনি। লক ডাউনের ফলে মানুষ এখন বাড়িতেই বসে দিন কাটাচ্ছেন। এই সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য সোসাল মিডিয়াকেও তিনি ব্যবহার করেছেন।

No comments:
Post a Comment