নিজস্ব সংবাদদাতা, ১৫ ফেব্রুয়ারিঃ রাজ্য বাজেট পেশ করার পর বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখােমুখি হয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়েছিলেন, 'বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করেছি। বাকিটা সুপারিশেই বলা রয়েছে। যতটুকু পেরেছি, দেওয়া হয়েছে। নেতিবাচক চিন্তা করবেন না, রাজ্যের কথা ভাবুন, ইতিবাচক চিন্তা করুন।'
এবার বাজেট আলােচনার প্রশ্নত্তোর পর্বে ফের বেতন কমিশন ও মহার্ঘভাতা প্রসঙ্গে জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তার সরকার কর্মচারীদের কত শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মিটিয়েছেন। চলতি অর্থবছরে নতুন বেতন কাঠামাে অনুসারে বেতন হাতে পেলেও পে স্লিপে ডিএ'র উল্লেখ না থাকায় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এরপর রাজ্য বাজেটেও এ নিয়ে পৃথক কোনও প্রস্তাব না পেয়ে কর্মীমহলে স্বাভাবিকভাবেই হতাশা আরও বাড়ে। একদিকে পে স্লিপ থেকে ডিএ শব্দ উধাও হওয়ার ঘটনা ও বকেয়া নিয়ে স্যাটে মামলা রায় ঘােষণার পরও তা কার্যকর না হওয়ায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত অবমাননা, পাল্টা রায় পুনর্বিবেচনা মামলাও চলছে স্যাটে।
গতকালও ছিল সেই জোড়া মামলার শুনানি। স্বাভাবিকভাবেই মহার্ঘ্য ভাতার ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তায় কর্মচারী মহল।
এবার কর্মচারী মহলের জল্পনায় জল ঢেলে এদিন বিধানসভায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগে ৯০% মহার্ঘ্য ভাতা বকেয়া ছিল। সব শােধ করে দিয়েছি। রাজ্যে ষষ্ঠ বেতন কমিশন চালু হয়েছে। বর্ধিত বেতনও পেয়েছেন কর্মচারীরা। টাকা নেই, তাও আস্তে আস্তে সব দিয়ে দেব।
যদিও, মহার্ঘ্য ভাতার বরাদ্দ 'শূন্য' নিয়ে ক্ষোভে ফুসছেন কর্মচারী মহল। তথ্য তুলে ধরে কনফেডারেশন অব স্টেট গভমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক জানান ''২০২০-২০২১ বাজেটে মহার্ঘ্য ভাতার কলমে ডট
ডট ডট এই ঔদ্ধত্য ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র সরকারি তহবিল থেকে বেতন পাওয়া কর্মচারীদেরই আছে। বন্ধুরা আগামীদিনে এই আমাদের এই কথাটা মনে রাখতে হবে।''

No comments:
Post a Comment