নিজস্ব সংবাদদাতাঃ সিএএ- এর প্রতিবাদ করতে বিজেপি সিপিএম ছেড়ে ৫ জন জনপ্রতিনিধি যোগদান করলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। ঘটনাটি মালদার চাঁচোল ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির, যার ফলে তৃণমূলের জেলায় শক্তি বৃদ্ধি হলো। যদিও সিপিএমের দাবি যারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছে তারা বহুদিন আগেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে।
জানা গিয়েছে চাঁচল ১নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির মোট আসন ২৪টি। কংগ্রেস পায় ১৩টি তৃণমূল কংগ্রেস ৯টি, বিজেপি ১ ও সিপিএম ১টি। প্রথমে ১৩টি আসন পেয়ে বোর্ড গঠন করে কংগ্রেস। পরর্বতীতে কংগ্রেস থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে ৩জন যোগদান করে। এরপর রবিবার পঞ্চায়েত সমিতির ১জন সিপিএম সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করায় একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেল তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি এদিন চাঁচল এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২জন বিজেপি সদস্য ও দুইজন সিপিএম সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে। বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব মণ্ডল ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অমিতেশ পাণ্ডে বলেন, 'এনআরসি ও সিএএ- এর প্রতিবাদে মমতা ব্যানার্জি দেশজুড়ে আন্দোলন তৈরি করেছে। দেশজুড়ে আন্দোলন করছে।সেই আন্দোলনে সামিল হতেই আমরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছি।'
জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূর বলেন,অন্যান্য দল থেকে মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করছেন। কারন মানুষ বুঝতে পেরেছেন এন আর সি, এন পি আর, সি এ এ এর প্রতিবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করতে পারেন। সেই কারণেই তারা দলে যোগদান করছেন।
সিপিএমের জেলা সম্পাদক অম্বর মিত্র বলেন, যারা গেছে তাতে আমাদের কোন কিছু যায় আসে না। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই তাদের সঙ্গে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই।
মালদা জেলার বিজেপি সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে, বন্দুকের ভয় দেখিয়ে প্রলোভন দিয়ে দলে যোগদান করাচ্ছে। যারা বিজেপি থেকে গেছে বলা হচ্ছে তারা বিজেপি তেই আছে।

No comments:
Post a Comment