নিজস্ব সংবাদদাতা, ৪ঠা ফেব্রুয়ারিঃ বনগাঁর পর নদিয়ার হব্বিবপুর। মমতার স্পষ্ট বার্তা, এ রাজ্যে সিএএ নয়। এনপিআর কিংবা এনআরসি তাে কথাই নেই। সেই সঙ্গে বলেন, ভােট দিয়েছেন, ভয় কিসের! আমরা সবাই নাগরিক। বনগাঁতে গিয়ে সিএএ-এনআরসি নিয়ে যে সুর চড়িয়ে এসেছিলেন, ঘণ্টা খানেক পরও সেই একই উদ্যাম ও উচ্চস্বরে হব্বিপুরে জনসভায় বললেন, “বাংলায় এনআরসি করতে হলে, আমার মৃতদেহের উপর দিয়ে করতে হবে। দেখি বিজেপির কত ক্ষমতা।“
কেন্দ্রকে একহাত নিয়ে মমতার বলেন, "মুড়ি-মুড়কির মতাে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিক্রি করে দিচ্ছে। এবার কি আলু-পটলের মতাে বাজারে বিএসএনএল, এয়ার ইন্ডিয়া, রেল মিলবে?" নির্মলা সীতারামনের বাজেট নিয়েও কটাক্ষ করত ছাড়েননি মমতা। নয়া আয়কর পরিকাঠামাে নিয়ে তাঁর মন্তব্য, "ওরা দুটো কর কাঠামাে তৈরি করেছে। অর্থাৎ বলতে চাইছে, কাঁচা কলা খাও, নয় পাকা কলা খাও, দুটো খাওয়া যাবে না।"
মুখ্যমন্ত্রী এ দিন জানান, তাঁর বাড়িতে আরবিআই-এর লােকেরা আসেন। কেন্দ্রের বঞ্চনার কথা তাকে জানান তাঁরা। অন্যান্য রাজ্যে কর্মী নিয়ােগ হলেও এখানে কর্মী নিয়ােগ হচ্ছে না। মাত্র ১০ জন নিয়ােগ হয়েছে বলে আরবিআই কর্তাদের দাবি। পাশাপাশি, এ-ও বলেন, ব্যাঙ্কে যে ৫ লক্ষ টাকার বিমার কথা বলা হচ্ছে, আদৌ তা নয়। এক লক্ষ টাকার বেশি তােলা যাবে না।
সিএএ বিরােধিতা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে যে ভােট দেয়, সেই নাগরিক। ৭১ সালে বাংলাদেশ থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁরা নাগরিক। তাঁদের অনুপ্রবেশকারী বলছেন কেন?” তার সংযোজন, “তিন বছরের
জন্মের প্রমাণপত্র চাওয়া হচ্ছে। এখন বলছে দিতে পারাে না-ও দিতে পারাে। মানে না দিলে ঘ্যাচাং ফু।”

No comments:
Post a Comment