নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। সেই সাথেই জড়িত রয়েছে হৃদয় বিদারক এক ঘটনা ২০১৯ সালে এই দিনটিতেই সন্ত্রাসী হামলায় ঝড়েছিল ৪০ টি তাজা প্রাণ, দেশের বীর জওয়ানদের হারিয়েছি আমরা এই দিনটিতেই।
আজ চারিদিকে সবাই যখন ব্যস্ত প্রেমের দিবস পালন করতে, একে অপরের প্রতি গোলাপ, চকলেট হয়তো আরও অনেক কিছুই করতে, ঠিক তখনই সব কিছুকেই উপেক্ষা করে ১৪ই ফেব্রুয়ারির সকালে সীমান্তে পাহারারত বিএসএফ জওয়ানদের নিয়ে এক স্মরণ সভা করলেন একদল যুবক। স্মরণ সভার শেষে
বীর জাওয়ানদের চোখের জল মুছিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিজেদের হাতে করে মিষ্টি বিতরণ করলেন তারা। তারা এই ভাবেই লেগে থাকুক দেশের সেবার জন্য। তাদের প্রতিটা কাজে ফুটুক দেশের প্রতি সেবা ও ভালোবাসা। তাই যুবকেরা তাদের মিষ্টি মুখ করিয়ে বরণ করে নেয় নতুন করে। কারণ ৪০ জন ভাই এই জওয়ানদের মধ্যেই আছেন, আমাদের ছেড়ে তাঁরা যাননি।
ইতিহাসের পাতায় নজর দিলে আজকের দিনেই গতবছর নিরাপত্তা কর্মীদের বহনকারী যানবাহন, ভারতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার লেথোপোড়ায় অবন্তীপাড়ার কাছাকাছি জম্মু শ্রীনগর জাতীয় সড়কে পৌঁছালে একটি বাহন-বাহিত আত্মঘাতী হামলার শিকার হয়। এই হামলার ফলে আমাদের ৪০ জন সিআরপিএফ জাওয়ান শহীদ হয়েছিলেন।
বীর জাওয়ানরা প্রতিদিন ১২ ঘন্টা করে নিজেদের কর্তব্য পালন করেন ওই গরম, বর্ষা, কনকনে শীতের মধ্যে, নিজেদের শরীরকে হাতিয়ার করে আমাদের সুরক্ষা দিচ্ছে। চলুন না সবাই, আমরাও তাদের সাথে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেই। সৈনিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠুক দাদা-ভাই এর। ট্রেনে বাসে আপনি সিট পেলেই ওনাদের জন্য সিট ছেড়ে দিন। ওনাদেরকে সম্মান দিন। কারণ ওনাদের জন্যই আমরা এবং আমাদের ভারতবর্ষ সুরক্ষিত আছে। দেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করে যারা দেশের জওয়ানদের কর্তব্য পালনকে নিয়ে প্ৰশ্ন করেন, তারাই সব থেকে দেশদ্রোহী। যতদিন বাঁচাবে প্রাণ, যতদিন হবে বাংলা তথা দেশের মাটিতে অনুষ্ঠান ততবার আমরা নিজেদের সাধ্যমতোন বীর জওয়ানদের পাশে দাঁড়িয়ে উঁচু কণ্ঠে বলবো....ভারত মাতা কি জয়।

No comments:
Post a Comment