নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মমতাকে গুনতে হবে পিছন দিক থেকে, বিধানসভায় বিজেপির ১৭০ আসন পাকা, বনগাঁয় মন্তব্য মুকুলের।
মুখ্যমন্ত্রীর সভার চব্বিশ ঘন্টা আগে বনগাঁতে বিজেপির অভিনন্দন যাত্রায় জনপ্লাবন দেখালো বিজেপি। প্রায় দশ থেকে পনেরো হাজার মানুষের ভিড় বনগাঁর রাজপথে। পা মেলালেন মকুল রায়ও।
সোমবার বনগাঁ চাকদা রোডের কালিবাড়ি এলাকা থেকে শুরু হয় বিজেপির অভিনন্দন যাত্রা। মহিলারা শঙ্খ বাজিয়ে শুরু করে এই শোভাযাত্রা । হাজারে হাজারে মানুষ পা মেলান, পুরুষ থেকে মহিলারা। ছিল নানা ধরনের ব্যন্ড। মিছিলে পা মেলান মুকুল রায়, শায়ন্তন বসু, সব্যসাচী দত্ত এবং বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস এবং দেবদাস মন্ডল।
মিছিল শেষ হবে বনগাঁ স্টেশন সংলগ্ন মাঠে এই শোভাযাত্রা ঘিরে বিজেপি কর্মীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মত।
সায়ন্তন বসু জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সভার আগে এত মানুষের জমায়েত, মুখ্যমন্ত্রীর সভায় এর অর্ধেক করে দেখাক। চ্যালেঞ্জ রইলো।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ক'টা আসন পাবে, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিছন দিক থেকে গোনা শুরু করুন। বিজেপি ১৭০টা আসন পাবে, এটা স্থির হয়ে গিয়েছে। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর আরএস মাঠে দলীয় জনসভায় এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায়। সঙ্গে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়েও এদিন তিনি রাজ্যের শাসক দলকে একহাত নিলেন।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে বিজেপি এদিন বনগাঁয় অভিনন্দন যাত্রা করে। বনগাঁ কালীবাড়ি এলাকা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। সেখান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ জনতার পদযাত্রা এগিয়ে চলে রেলস্টেশন সংলগ্ন আরএস মাঠের দিকে। অভিনন্দন যাত্রার জনসভায় আসন্ন পুরসভা ভোটের সুর বেঁধে দেন মুকুল। পাশাপাশি আগামী বিধানসভা নির্বাচনের ভবিষ্যৎ বাণীও করে দিলেন। এদিন তিনি সাফ বলেন, 'আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যত চেষ্টাই করুন, তাঁকে নীচের দিক থেকে গুনতে হবে। বিজেপির ১৭০টি আসন পাকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গুনতে হবে সিপিএম কত পাবে, কংগ্রেস কত পাবে, তাঁর দল কত পাবে।'
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মুকুল এদিন রাজ্যের শাসক দলকে একহাত নেন। তিনি বলেন, 'বনগাঁয় আসার সময় রাস্তায় দেখছিলাম, তৃণমূল সিএএ লিখে সব কেটে দিয়েছে। আজ আমি দায়িত্ব নিয়ে বলে গেলাম, একদিন এই তৃণমূলকে সিএএ-র সমর্থনে দেওয়াল লিখতে হবে।' এদিন বনগাঁয় বিজেপির অভিনন্দন যাত্রা কর্মসূচিতে ছিলেন দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শংকর চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস, দুলাল বর ও সব্যসাচী দত্ত-সহ অন্য নেতারা।

No comments:
Post a Comment