হালকা শীতের আমেজ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছেন জেলাবাসী - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 15 February 2020

হালকা শীতের আমেজ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছেন জেলাবাসী





নিজস্ব সংবাদদাতা, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি :- পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে গৌড়বঙ্গ জুড়ে এখনও বেশ কয়েকদিন  মিলবে শীতের আমেজ । গত বছরের তুলনায় এবারে এখানকার তিন জেলায় লম্বা ইনিংসে খেলছে শীত , জেলাবাসী শীতের আমেজকে সানন্দে অনুভব করছে। হাল্কা শীতের আমেজ নিয়ে আসা এমন আবহাওয়া থেকে নিস্তার চাইছেন না অনেকেই। তবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার  মাঝিয়ান কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা আবার জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে এখনও জেলায় জেলায় শীতের আমেজ থাকলেও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কেটে গেলেই গরমের আভাস মিলতে শুরু করবে।

ফেব্রুয়ারি মাসের অর্ধেক চলে গেলেও সেভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি না পাওয়ায় অনেক প্রবীণ নাগরিক আবহাওয়ার খামখেয়ালিকে দায়ী করার পাশাপাশি বছরের হাল্কা শীতের আমেজকে উপভোগ করছেন। এবারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় রেকর্ড শীত পড়তে দেখা গিয়েছে , সাথে পাল্লা দিয়ে চলেছে কুয়াশার  আলো আঁধারি খেলা । গত জানুয়ারি মাসে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় পারদ নেমেছে ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বিগত দু বছরের রেকর্ডকে ভেঙ্গে দিয়েছে । ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত লাগাতার জেলায় পাল্লা দিয়ে শীত তার রূপ দেখিয়েছে। জেলাবাসী  শীতকে উপভোগ করতে জেলায় চলা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় বেরিয়ে  উপভোগ করেছে শীতকে। শীতের আমেজে ছুটির দিন গুলিতে ভিড় উপচে পড়েছে জেলার পিকনিক স্পটগুলি। জেলা কৃষিদপ্তর জানিয়েছে শীতে তেমন ভাবে ফসলের ক্ষতি না হলেও কুয়াশাতে কিছু আলু ও ধানের বীজতলায় ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ায় বিশেষ বড়ো ক্ষতির সম্ভবনা আটকানো গিয়েছে। আবহাওয়া এখন ভালো থাকায় ফসল ভালো রয়েছে।

জেলার মাঝিয়ান কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ সুমন সূত্রধর বলেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে জেলায় ফেব্রুয়ারি মাসের অর্ধেক চলে গেলেও সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে। গত বছরে এই সময় পারদ অনেকটাই উর্দ্ধগামী ছিল। তবে গৌড়বঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ আর বেশিদিন উপভোগ করতে পারবেন না জেলাবাসী। একসপ্তাহের মধ্যে গরমের ভাব শুরু হয়ে যাবে। তবে এখনই বৃষ্টির কোন সতর্কতা নেই ; মেঘমুক্ত আকাশ থাকবে।

জেলায় এবারে যা শীত পড়েছে তা গত দুবছরের রেকর্ড কে ভেঙ্গে দিয়েছে ; ৬.৮° ছিল এবারের শীতলতম দিন। জেলা কৃষি আধিকারিক জ্যোতির্ময় বিশ্বাস বলেন, "জেলায় শীতের প্রভাব এবার যথেষ্ঠ ছিল ,তার সাথে কুয়াশা থাকায় কিছুটা হলেও ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে। কুয়াশার কারণে আলুতে ধসা রোগ দেখা গিয়েছিলো, তা আমরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এছাড়াও আমন ধানের বীজ যারা লাগিয়েছিল, শীত ও কুয়াশার কারণে অঙ্কুর ফুঁটে বেরোতে একটু সময় নিয়েছে। তবে এখন আবহাওয়া ভালো থাকায় কৃষকদের কোনও সমস্যা নেই। আমরা যথেষ্ঠ কৃষি বিষয় পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সাহায্য করছি।"

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad