অতিরিক্ত বাতিকগ্রস্ত আর কুসংস্কারাচ্ছন্ন স্ত্রীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তাঁকে মেরে নিজেও আত্মহত্যা করলেন স্বামী ৷ ঘটনাটি কর্নাটকের মহীশূরের ৷
জানা যায়, ১৫ বছর আগে শান্তামূর্তি এবং পুত্তামনির বিয়ে হয়েছিল ৷ তাঁদের ৭ ও ১২ বছরের দু’টি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু এই পরিবারে অভাব শুধু সুখের। এর এক মাত্র কারণ পুত্তামনির অতিরিক্ত বাতিক। বিয়ের পর পর ব্যপারটা এত বাড়াবাড়ি পর্যায়ে ছিল না ৷ কিন্তু স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ৮ বছর ধরে পুত্তামনি যেন অন্য মানুষ হয়ে গিয়েছিলেন ৷
তাঁর বাতিক এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে, সারাদিনে বাচ্চাদের অসংখ্যবার স্নান করাতেন ৷ স্বামী বাজার থেকে টাকা নিয়ে এলে সেই টাকা আগে কেচে রোদে শুকাতে দিতেন, তারপর ঘরে তুলতেন ৷ অন্য জাতের ছোঁয়া নিয়েও প্রবল আপত্তি ছিল তাঁর ৷ বাড়ীতে অদ্ভুত নিয়ম বানিয়েছিলেন ৷ বাথরুমে গেলে, বাইরে থেকে ফিরলে, গবাদি পশুকে খেতে দিলে স্নান করতে হবে ৷ এমনকি বাড়িতে কেউ এলে তাঁকেও আগে স্নান করে তারপর ঘরে ঢুকতে হত ৷
এই নিয়ে স্বামী শান্তামূর্তির সঙ্গে নিত্য অশান্তি লেগেই থাকত তার ৷ মঙ্গলবার এই নিয়ে দু’জনের মধ্যে প্রবল অশান্তি বাঁধে ৷ রাগের চোটে ধারাল অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন শান্তামূর্তি ৷
স্কুল থেকে ফিরে সন্তানরা বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় ৷ সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানায় খবর দেওয়া হয়৷ পুলিশ এসে বাড়ীর পাশের ক্ষেত থেকে পুত্তামনির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে ৷

No comments:
Post a Comment