শারীরিক সম্পর্কের উপকারীতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। এটা আনন্দের। সেই আনন্দ শারীরিক ও মানসিক দুদিকেই। নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক কিভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে সেসব জেনে নিন-
যে নারীরা নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক করে তাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নারীরা যতবেশি শারীরিক সম্পর্ক করেন, ততই তারা কোন শব্দ মুখস্থ করার ক্ষেত্রে ভালো পারফর্মেন্স করেন।
গবেষকরা মনে করেন, শারীরিক সম্পর্কে নারীদের মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস এর কোষ বৃদ্ধিতে উদ্দীপনা জোগায়। মস্তিষ্কের এই এলাকাটি স্মৃতি সংরক্ষণের কাজ করে।
শারীরিক সম্পর্কে রক্তচাপ ঠিক রাখার জন্য ভালো। ৫৭ থেকে ৮৫ বছর বয়সে শারীরিক সম্পর্কে সক্রিয় নারীরা উচ্চরক্তচাপে ভোগেন না।
জার্নাল অফ হেলথ অ্যান্ড সোশাল বিহেভিওর এ প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ট্রোজান এবং এডুকেশন কাউন্সিল অফ কানাডার জরিপ মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক আরও রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে।
শারীরিক সম্পর্কে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে…অপ্রত্যাশিত বা অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক সম্পর্ক কমবয়সী নারীদের জন্য ক্ষতিকর, গতানুগতিক এই ধারণাটি ঠিক নয়।
সোশাল সাইকোলজিক্যাল অ্যান্ড পার্সোনালিটি সায়েন্স এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব কলেজ শিক্ষার্থী এ ধরনের শারীরিক সম্পর্ক উপভোগ করেন তাদের আত্মবিশ্বাস বেশি। যদি তারা প্রায়ই তা উপভোগ করে, কিন্তু তারা যদি তা পছন্দ না করে তাহলে প্রায়ই শারীরিক সম্পর্ক উপভোগ করাটা উপকারী হবে না। এর মানে হল আপনাকে আপনার আকাঙ্ক্ষাগুলোর ব্যাপারে সৎ হতে হবে।
হস্তমৈথুনও একইভাবে উপকারী। সাইকোলজি অফ ওমেন কোয়ার্টারলির আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রায়ই হস্তমৈথুন করেন তারা নিজেদের দেহ সম্পর্কে অনেক বেশি ইতিবাচক অনুভূতি লালন করেন।
শারীরিক সম্পর্ক এবং হস্তমৈথুন আপনার সার্বিক শারীরিক সুস্থতার সহায়ক হতে পারে। অ্যাডাম অ্যান্ড ইভ এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ক্রীড়াবিদরা যত বেশি হস্তমৈথুন বা শারীরিক সম্পর্ক করেছে ততই তারা শক্তি, তৎপরতা এবং গতি প্রদর্শন করেছে।
পাশাপাশি ফ্রন্টিয়ার্স সাইকোলজিতে প্রকাশিত একটি মেটা-বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ঠিক আগে শারীরিক সম্পর্ক করলে হয় কোনো প্রভাব পড়ে না আর নয়ত শারীরিক সুস্থতা জোরদার হয়, যা বড় কোন খেলার আগে শারীরিক সম্পর্কের প্রভাব সম্পর্কিত জনপ্রিয় চিন্তাগুলোর সম্পূর্ণ বিপরীত।
সম্ভবত এটা কোন বিস্ময়ের বিষয় নয় যে, শারীরিক সম্পর্কে আনন্দময় অনুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়।
জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিনের গবেষণা মতে, চুড়ান্ত শারীরিক সম্পর্কে সুখানুভূতি ডোপামিন এবং অক্সিটোসিন এর মতো হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়। কিন্তু এই উপকারিতাগুলোর অভিজ্ঞতা লাভের জন্য আপনার চূড়ান্ত শারীরিক সম্পর্কে সুখানুভূতি লাভেরও কোন দরকার নেই বরং শুধু উত্তেজনা সৃষ্টির ফলেই এই হরমোনগুলো নিঃসরিত হয়। একই রাসায়নিকগুলো মাংসপেশির খিঁচুনি লাঘবেও সহায়ক হতে পারে।
সূত্র: বিডি হেডলাইন
সূত্র: বিডি হেডলাইন

No comments:
Post a Comment