এই খেলনাটি কি আদৌ সকলের চাহিদা মেটাতে সক্ষম!!! - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 12 February 2020

এই খেলনাটি কি আদৌ সকলের চাহিদা মেটাতে সক্ষম!!!




পুরো বিশ্বে সেক্স টয় এখন ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অবিবাহিত ও যাদের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ ঘটেছে, তাদের মধ্যে এর চাহিদা অনেকাংশে বেড়েছে। এটা আমার কথা নয়, সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

তবে মজার বিষয় হল এখনও অনেকে সেক্স টয় সম্পর্কে অজ্ঞ। আবার অনেকে এটার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে উঠেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল যারা অজ্ঞ, তারা এর কাজ কী? তা-ই জানে না।  তাদের জন্য আজকের এই আলোচনা, সেক্স টয় কী? এটার কাজ কী? এর প্রতি কাদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি?
চলুন জেনে নেওয়া যাক-

সেক্স টয় কী?
এটি এক ধরনের পুতুল, যেটির মধ্যে মানুষের পুরো অঙ্গের অবয়ব দেওয়া হয়েছে। আর এটিই কিছু মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেক্স টয় দেখতে অবিকল মেয়ে ও ছেলেদের মতো। এতে মেয়েদের সব অঙ্গ, এমনকি সেক্সুয়াল অঙ্গও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এগুলো ওয়াটার প্রুফ এবং ছেলে-মেয়েদের সব ধরনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। তাই এর মাধ্যমে ছেলে-মেয়েরা তাদের যৌনক্ষুধা মেটাতে সেক্স টয়ের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে।

তবে সেক্স টয় মেয়েদের মতো কথা বলতে পারে না, যা অনেকের জন্য প্লাস পয়েন্ট। আর এদের পুরো অঙ্গ অনেকটা মেয়েদের মতো, এমনকি এদের মাথার চুলও মেয়েদের মতো বড় থেকে ছোট করে রাখা যায়। এর দাম ধরা হয়েছে ৬,৫০০ ডলার থেকে শুরু করে এর উপরে।
       
বেশ কয়েক বছর ধরে সেক্স টয় বিশ্বে একটি পরিচিত নাম। চলুন আরও জেনে নেই এই পণ্যটি সম্পর্কে:
একটু সহজ করে যদি বলি, সেক্স টয় হল যৌনতাকে উপভোগ করতে এবং সেক্সে নতুনমাত্রা যোগ করতে এক ধরনের প্ল্যাস্টিক জিনিস। সেক্স টয় যৌন সম্পর্কের আগে ব্যবহার করতে অনেকেই মজা পায়। এছাড়া মাস্টারবেশনের সময় সেক্স টয় ব্যবহার করে স্যাটিস্ফাইড হওয়া বেশ সহজ। ইদানিং ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন রকম সেক্স টয় বাজারে পাওয়া যায়। তবে প্রশ্ন, এটা কী সত্যি নারী ও পুরুষের চাহিদা মেটাতে পারে? তবে পারুক না নাই পারুক, তারপরেও এর প্রতি চাহিদা বেড়েছে এখন বিভিন্ন দেশের মানুষের।

এদিকে, সম্প্রতি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে এটি নিয়ে চাঞ্চল্যকর একটি খবর বেরিয়েছে, সেখানে জানানো হয়েছে, এই সেক্স টয়ের প্রতি এতদিন ধরে উন্নত দেশগুলোর চাহিদা ছিল বেশি। তবে এই খবরে আরও বলা হয়েছে, ভারত উপমহাদেশের কয়েকটি অঞ্চলে এর চাহিদা অনেকটা বেড়ে গেছে। আর এমনই খবর দিয়েছে সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এবেলা। এতে আরও বলা হয়, বিষয়টিকে একেবারে গোপনীয়তার আবরণেই ঢেকে রাখতে চায় এ অঞ্চলের মানুষ। কিন্তু ইন্টারনেটের বরাতে এখন এর চাহিদা বেড়েছে।

ওই খবরে আরও বলা হয়, ভারতের এসকর্ট সার্ভিস থেকে শুরু করে, যৌন বন্ধু ও যুবকদের মধ্যে এখন সেক্স টয়ের প্রতি চাহিদা বেড়েছে ইন্টারনেটের কল্যাণে। তবে দোকানে গিয়ে সেক্স টয় কেনার মতো সাবলীল কেউ এখনও জন্মায়নি ভারতে (চক্ষু লজ্জার ভয়ে)। তাই এদের নির্ভর করতে হয় ই-কমার্স ওয়েবসাইটের ওপরে।

এদিকে, ২০১৮ সালের ‘কুপন দুনিয়া’ নামের একটি ওয়েবসাইটের সার্ভে রিপোর্টে উঠে এসেছিল এই তথ্যটি, তাতে বলা হয়েছে, ভারতের চারটি শহর সেক্স টয়ের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী। এই চার শহরের বাসিন্দারা নাকি ই-কমার্স ওয়েবসাইটে যাওয়া-আসা করে এর বিস্তারিত দেখে আর ক্রয় করে।
সে সময় সমীক্ষাটির মাধ্যমে আরও জানা গেছে, আরব সাগরের তীরেই যৌন খেলনা নিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের আগ্রহ দেখা যায়। আর সাগরের আশপাশের মানুষরা নাকি এর ক্রয় বেশি করে। এদিকে, কথায় আছে, মুম্বাই শহর নাকি কখনো ঘুমায় না। কাজের ব্যাপারে এই শহরের বাসিন্দারা যেমন সক্রিয়, যৌনতার ক্ষেত্রেও একই রকম চাহিদা তাদের।

তবে সে সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের পর সেক্স টয়ের ব্যাপারে বেশি আগ্রহ দেখা গেছে রাজধানী দিল্লিতে। এই শহরের মানুষ দৈনন্দিন ব্যস্ত থাকলেও সেক্স টয়ের ব্যাপারে এরা বেশি ওয়েবসাইটে গিয়ে উঁকি মারে, আর কেনে। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে চণ্ডীগড়। চতুর্থ স্থানে রয়েছে পুণে।







সূত্র: কুষ্টিয়ার বার্তা

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad