যৌনসুখের চাবিকাঠি তো শরীরেই। ছোঁওয়াতেই পাওয়া যায় সুখ। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে শরীরের বিশেষ অংশে স্পর্শ থেকেই যৌন অনুভূতির সৃষ্টি হয়। বিশেষ অংশের ছোঁয়া থেকেই গোটা শরীরে সঞ্চারিত হয় উত্তেজনা। তবে শরীরের কিছু বিশেষ অংশেই লুকিয়ে রয়েছে এই রহস্য-শক্তি।
মহিলাদের ক্ষেত্রে
মেয়েদের অর্গ্যাজম নিয়ে পুরুষদের ধারণা সব সময় ঠিকঠাক হয় না। শুধুমাত্র যৌনসঙ্গম করলেই বা যৌনাঙ্গ স্পর্শ করলেই অর্গ্যাজম হয় না। অনেক অংশ রয়েছে, যেখানে স্পর্শ থেকে চরম সুখ-প্রাপ্তি হতে পারে।
মেয়েদের অর্গ্যাজম নিয়ে পুরুষদের ধারণা সব সময় ঠিকঠাক হয় না। শুধুমাত্র যৌনসঙ্গম করলেই বা যৌনাঙ্গ স্পর্শ করলেই অর্গ্যাজম হয় না। অনেক অংশ রয়েছে, যেখানে স্পর্শ থেকে চরম সুখ-প্রাপ্তি হতে পারে।
ঘাড়ের কাছে- এই অংশ অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ। এখানে আলতো ছোঁয়া গোটা শরীরেই বিদ্যুতের মতো ছড়িয়ে পড়তে পারে।
স্তনবৃন্ত- নারী শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশগুলিরম মধ্যে অন্যতম। যৌন প্রক্রিয়াতেও এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে।
ক্লিটোরিস- যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে এই অংশের বিকল্প কম। সঠিক ব্যবহারে অত্যধিক যৌনসুখের প্রাপ্তি হতে পারে।
মস্তিষ্ক- পুরুষ ও নারীর মধ্যে যেখানে পার্থক্য অসম্ভব বেশি। যৌনতার সময় মহিলাদের মস্তিষ্কের প্রভাব অনেক বেশি হয়। শারীরিকের তুলনায় মানসিক প্রভাবেই যৌনতা বেশি উপভোগ করেন তাঁরা।
জি-স্পট- মেয়েদের সবচেয়ে বেশি যৌন সুখানুভূতির সৃষ্টি হয় ক্লিটোরিসের ঠিক নীচে জি-স্পটে। এই অংশ পর্যন্ত পৌঁছলে প্রবল যৌন উন্মাদনার সৃষ্টি করা যায়।
পুরুষদের ক্ষেত্রে
অণ্ডকোষ- যদি আপনার পার্টনার আপনার শরীরের অণ্ডকোষ পর্যন্ত ছুঁতে পারেন, তবে আপনার শরীরে তীব্র যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি হবে।
অণ্ডকোষ- যদি আপনার পার্টনার আপনার শরীরের অণ্ডকোষ পর্যন্ত ছুঁতে পারেন, তবে আপনার শরীরে তীব্র যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি হবে।
ঠোঁট- যৌন সুখানুভূতির সৃষ্টি করে ঠৌঁট। বেশি সময় ধরে ঠোঁটের ব্যবহার যৌন উন্মাদনার পারদ চড়িয়ে দেয়।
পিঠ- পুরুষদের পিঠ যেমন শক্ত হয়, তেমনই ভিতর থেকে সংবেদনশীলও হয়। অনেকটা নারীর ঘাড়ের মতো।
উরু- যৌনাঙ্গের কাছাকাছি হওয়ায় এই অংশ স্পর্শে যৌনসুখ বেশি হয়।
পুরুষ যৌনাঙ্গ- মহিলাদের মতো পুরুষদেরও যৌনাঙ্গে স্পর্শ চরম যৌনসুখ সৃষ্টি করে।
সূত্র: বিডি হেডলাইন
সূত্র: বিডি হেডলাইন

No comments:
Post a Comment