মায়েরা যখন সন্তান প্রসব করেন তখন বুকের দুধের চাপ একটু বেশি থাকে, তখন যদি সন্তান কাছে না থাকে তখন তাদের অস্বস্থিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। তাই তারা বুকের দুধ পাম্পিং করে ফ্রিজিং করে সংরক্ষণ করতে পারেন। বিশেষ করে কর্মজীবী মায়েদের ক্ষেত্রে এ সমস্যটা একটু বেশি হয়।
আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে ব্রেস্ট পাম্প (স্তন পাম্প) খুবই আলোচিত এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মায়েদের কর্মস্থলে ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ার কারণে এর প্রয়োজনীয়তা দিনদিন বেড়ে চলেছে। প্রাশ্চাত্যে আবার কোন কোন দেশে মানুষ অভাবের তাড়নায় কিংবা ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্যে নিজের বুকের দুধ বিক্রি করে থাকেন, যা প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে।
কিছু মহিলারা শুধুমাত্র অল্প সময়ের জন্য এটা ব্যবহার করেন; কেউ আবার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করেন। তবে ব্যবহারের বিভিন্ন স্তরের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ডিজাইনের স্তন পাম্প আছে।
তবে যাদের একাধিক বাচ্চা থাকে, তাদের ব্রেস্ট পাম্প ব্যবহারের বিষয়ে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ বা ল্যাক্টেশন কনসালট্যান্টের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।
স্তন পাম্প কত ধরণের?
স্তন পাম্পগুলোতে একটি স্তন কাপ থাকে যা নারীর স্তনবৃন্ত, ফেনেল এবং সংগ্রহ বোতলের উপর ফিট করতে হয়। তিনটি পদ্ধতিতে স্তন পাম্প করা যেতে পারে।
১. ম্যানুয়াল: বারবার দুধ নিষ্কাশন করার জন্য একটি হ্যান্ডেল ঝিনুক।
২. বৈদ্যুতিক: মেশিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাম্প।
৩. হাসপাতালের গ্রেড: দুধ সংগ্রহের কিট এবং পাম্প পদ্ধতির মাধ্যমে পাম্পিং করা যায়, তাই দুধ হাওয়া বা কোনও জীবাণু স্পর্শ করতে পারে না।
১. ম্যানুয়াল: বারবার দুধ নিষ্কাশন করার জন্য একটি হ্যান্ডেল ঝিনুক।
২. বৈদ্যুতিক: মেশিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাম্প।
৩. হাসপাতালের গ্রেড: দুধ সংগ্রহের কিট এবং পাম্প পদ্ধতির মাধ্যমে পাম্পিং করা যায়, তাই দুধ হাওয়া বা কোনও জীবাণু স্পর্শ করতে পারে না।
তবে, ম্যানুয়াল পাম্প কমপক্ষে দিনে একবারের চেয়ে কম ব্যবহার বা স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারের (৪ সপ্তাহের কম) জন্য উপযুক্ত।
আবার ব্রেস্ট পাম্প ছাড়াও হাত দিয়েই দুধ সংরক্ষণ করা যেতে পারে। এটা খুবই সহজ। এভাবে দুধ বাড়ানোও যায়।
সূত্র: ডেইলি 24লাইভ
সূত্র: ডেইলি 24লাইভ

No comments:
Post a Comment