কান পাকলে তা মস্তিষ্কেও আঘাত হানতে পারে - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 18 February 2020

কান পাকলে তা মস্তিষ্কেও আঘাত হানতে পারে





ব্রিটেনের এক জরিপে দেখা গিয়েছে প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে ২-৩ জনের মস্তিষ্কেও পুঁজ বা ফোঁড়া হয়ে থাকে। ক্রেনিয়াম এর ভেতরে পুঁজ সাধারণত ৩টা স্পেস এ হয়ে থাকে। ১. এস্কট্রাডুরাল স্পেস এবসেস ২. সাবডুরাল এমপায়োমা ৩. সেরিবেরাল এবসেস। মস্তিস্কে পুঁজ এর লক্ষণ নিম্নরূপ-

মস্তিষ্কের ভেতরে জীবাণু প্রবেশের ১৪ দিন থেকে ২১ দিন পর্যন্ত রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের রোগের লক্ষণ প্রকাশ আরও আগে হতে পারে। রোগের লক্ষণ নিম্নরূপ :--

জীবাণুর টক্সিসিটি এর জন্য জ্বর হতে পারে। মস্তিষ্কেও ভেতর ইন্ট্রাক্রেনিয়াল প্রেসার বেড়ে গিয়ে মাথা ব্যথা, বমি, এমনকি অজ্ঞান ও হতে পারে। তাছাড়া রোগীর এক পাশ প্যারালাইসিসি হতে পারে। কথা বলা বা বুঝতে না পারে। এছাড়া খিচুনি, মাথাঘুরানোসহ, হাঁটতে গেলে এক পাশ পড়ে যেতে পারে।

ব্রেনে পুঁজ হওয়ার এক নম্বর কারণ, কানে পুঁজ, জল পড়া। তাছাড়া সাইনোসাইটিস, দাঁতে পুঁজ হওয়া, কোন নোংরা বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত ও ফেটে যাওয়ার মাথার হাড় ভেঙ্গে যাওয়া অন্য একটি কারণ। রোগ নির্ণয়ের একটি হল সিটি স্ক্যান অব ব্রেন উইথ কনট্রাস্ট। চিকিৎসা হলো ছোট এবং অল্প থাকলে এ্যান্টিবায়োটিক, যেমন ইনজেকশন সেফট্রন ২ গ্রাম দিনে ২ বার ৩ মাস, ইনজেকশন ফ্লাজিল আইভি ৫০০ মিলি গ্রাম দিনে ৩ বার ৩ মাস, ইনজেকশন জেন্টামাইসিন ৮০ মিলি গ্রাম দিনে ৩ বার ১৪ দিন, প্রতিরোধের জন্য কানে পুঁজের জন্য চিকিৎসা করতে হবে। দাঁতে পুঁজের চিকিৎসা করতে হবে। পুঁজ বেশি থাকলে নিউরোসার্জন দিয়ে ব্রেনের অপারেশন করে পুঁজ বের করতে হবে।







সূত্র: জনকন্ঠ

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad