স্কুল স্তরেই পাঠক্রমে যৌনশিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 20 February 2020

স্কুল স্তরেই পাঠক্রমে যৌনশিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার




স্কুলে যৌন বিষয়ক শিক্ষা চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি সরকার। বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তন থেকে শুরু করে এইচআইভি প্রতিরোধ, যৌন সংক্রামক রোগ সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি নারী-পুরুষের যৌন মিলনের বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি কিশোর-কিশোরীদের জানাতেই এই উদ্যোগ কেন্দ্রীয় সরকারের।

জানা গেছে, স্কুলের শিক্ষার্থীদের যৌন বিষয়ক শিক্ষা চালুর জন্য যৌথভাবে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে বৈঠকও হয়।

সার্বিকভাবে এই পাঠক্রম চালু করার আগে শিক্ষার্থীদের যৌন শিক্ষার খুঁটিনাটি জানাতে উদ্যোগ নেবে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি)। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য যৌন বিষয়ক শিক্ষার মডিউল চালু করা হবে। আবার একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে অন্য মডিউল।

১৩ বছর আগে স্কুলে যৌন বিষয়ক শিক্ষা চালু করতে উদ্যোগী হয়েছিল তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকার। পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ‘জীবনশৈলী’। তবে নানা তর্ক-বিতর্ক ও পরিকল্পনা না থাকায় সেটা বন্ধ হয়ে যায় অচিরেই। কিভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে যৌন বিষয়ক শিক্ষার প্রয়োজনীয় পাঠ তুলে ধরবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা তার কোন নির্দিষ্ট গাইডলাইন এতদিন ছিল না।

বয়ঃসন্ধিকালেই ছেলেমেয়েদের যৌনতা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়। তাই এই বিষয়টা কতটা সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হবে সেই নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বস্তরে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সিলেবাসের পাঠের বাইরে এই যৌন শিক্ষার ক্লাস চলবে ২৪ সপ্তাহ। শিশুদের কমিকস বই, নাটক, গ্রুপ ডিসকাশনের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও বিজ্ঞানসম্মত ধারণা দেওয়া হবে।

দু'জন মানুষের ঘনিষ্ঠতার প্রতি স্বাস্থ্যকর ইতিবাচক শিক্ষা দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। পরস্পরকে সম্মান জানানোর কথাও বলা হবে এই ক্লাসে।  ক্লাসরুমে যৌন শিক্ষার পাঠ থেকেই লৈঙ্গিক সমতার ধারণা দেওয়া হবে ছাত্রছাত্রীদের। যৌনতাকে পুঁজি করে সমাজে যে বিকৃতি চলছে, সে সম্পর্কে চেতনা আনার চেষ্টাও হবে। ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, নারী নির্যাতন কতটা বর্বর প্রথা সেটা শিশুমনে গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা হবে।








সূত্র: কালের কণ্ঠ

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad