কায়িক পরিশ্রম কম হওয়ার ফলে অনেকেই বদহজমের সমস্যায় ভুগেন। এমনিতেই ষাট ঊর্ধ্ব বয়সে হজমের সমস্যা একটু বেশিই দেখা যায়। আর জীবনযাপনের ধরন এবং খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসে বড়সড় পরিবর্তন আসায় যুব প্রজন্মের মধ্যেও হজমে গোলযোগ এখন নিত্যদিনের সমস্যা।
হজমের গোলমালের নেপথ্যে রয়েছে অনেক কারণ। এর মধ্যে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার ফলে ঠিক মতো প্রাতঃরাশ অনেকেই করেন না। সেটিও বদহজমের বড় কারণ। সে ক্ষেত্রে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ভারী ব্রেকফাস্ট করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া দু’টি মিলের মাঝে দীর্ঘক্ষণ বিরতি থাকলেও বদহজমের সম্ভাবনা বাড়তে থাকে।
হজমের গোলমালের নেপথ্যে রয়েছে অনেক কারণ। এর মধ্যে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার ফলে ঠিক মতো প্রাতঃরাশ অনেকেই করেন না। সেটিও বদহজমের বড় কারণ। সে ক্ষেত্রে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ভারী ব্রেকফাস্ট করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া দু’টি মিলের মাঝে দীর্ঘক্ষণ বিরতি থাকলেও বদহজমের সম্ভাবনা বাড়তে থাকে।
বদহজম হলেই গলা জ্বালা, চোঁয়া ঢেকুর, বুকে-পিঠে ব্যথা, মাথায় যন্ত্রণার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। তাই বদহজম হলে কী করবেন? জেনে নিন…
* প্রথমে ঊষ্ণদুষ্ণ জল পান করে দেখুন। কাঁচা জোয়ান চিবিয়েও জল খেয়ে নিতে পারেন। খালি পেটে কিছুক্ষণ থাকার পরেও লক্ষণ না কমলে অল্প মুড়ি খান।
* সমস্যা বাড়লে অনেকের আবার ডায়রিয়ার মতো গুরুতর লক্ষণ দেখা দেয়। সে ক্ষেত্রে ফাইবার জাতীয় খাবার, ডাল একেবারে বন্ধ করতে হবে। কাঁচকলা সিদ্ধ, লাউয়ের শুক্তো, লবণ ও জল দিয়ে মাখা ভাত খেতে হবে।
* পান্তা ভাত বাঙালিদের অন্যতম পছন্দের খাবার। তবে এই ঘরোয়া টোটকাটি অনেকেরই জানা নেই। রান্না করা ভাতের দু’চামচ রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে ওই পানি ও ভাত খেয়ে নিন। এতে হজমের ক্ষমতা বাড়বে।
* জোয়ান সিদ্ধ করে সেই জল খেলেও বদহজমের সমস্যা এড়ানো যায়। সকালে উঠেই এটা আগে খেয়ে নেবেন।
* জিরা সিদ্ধ করা জল হজম ক্ষমতা বাড়ানোয় উপযোগী। সকালে খালি পেটেও এটা খাওয়া যায়। আবার কিছু খাওয়ার পরেও তা খেতে পারেন।
* বদহজম রুখতে এলাচ চিবিয়ে খাওয়া খুবই উপকারী।
* আপেল সিদ্ধ করে সেই রস খেলেও হজমের ক্ষমতা বাড়ে।
* পেঁপে পাতা হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দুটি পেঁপে পাতা এক গ্লাস জলে ভিজিয়ে সিদ্ধ করুন। তারপরে ওই জল আধ গ্লাস হলে খেয়ে নিন। এত ঝক্কি মানতে না চাইলে, এক গ্লাস উষ্ণ জল খেলেও হজমে সাহায্য হয়।
* আবার যাঁরা নিয়মিত বদহজমের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যও হতে পারে। তখন ফাইবার জাতীয় খাবারের পরিমাণ ডায়েটে বাড়িয়ে দিতে হবে। খোসা-সহ শসা, থোড়, ওটস, দানাশস্য জাতীয় খাবার খেতে হবে।
* লিভার ফাংশন সুষ্ঠু রাখার জন্য কাঁচা হলুদ বেশ উপযোগী। সকালে উঠে একটুখানি কাঁচা হলুদ চিবিয়ে জল খেয়ে নিন।
বদহজম হলেই খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দেবেন, তা ঠিক নয়। তবে ময়দা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, প্যাকেট ফুড, ফাস্ট ফুড, ভাজাভুজি খাবার বাদ দিতে হবে। অসময়ে ভারী খাবার খাওয়ার মতো কু-অভ্যাস বর্জন করলেও হজমের সমস্যা এড়ানো যায়। ডায়েটে অবশ্যই জলের পরিমাণ বাড়াবেন।
সূত্র: জুম বাংলা
সূত্র: জুম বাংলা

No comments:
Post a Comment