ভাষা আন্দোলন কবে ? গুগলিতে চিৎপাত কলকাতার ছাত্রীরা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 21 February 2020

ভাষা আন্দোলন কবে ? গুগলিতে চিৎপাত কলকাতার ছাত্রীরা



ভাষা আন্দোলন কবে ? গুগলিতে চিৎপাত কলকাতার ছাত্রীরা


ভাষা দিবস এর ছবির ফলাফল


এক দিক থেকে ভালই হলো। দিবস পালনের সময় আমরা সবাই বলছি মাতৃভাষা দিবস। ধরি আমার মা ইংরেজিতে কথা বলেন, আমিও ইংরেজিতেই বলি। তাহলে আমার জন্য মাতৃভাষা দিবসে ইংরেজি বলা কোন সমস্যাই না। একুশে ফেব্রুয়ারী তো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। সেক্ষেত্রে আরো বাধা নেই। যাদের মা অর্ধেক ইংরেজি আর অর্ধেক বাংলায় কথা বলেন তারাও একই ভাবে সমান তালে বাংলা ইংলিশ বলতে পারেন। দুঃখ শেষ হয়নি, কারো কারো মায়েরা উর্দুতেও কথা বলেন আবার হিন্দি মারাঠিও চলে এ বাংলায়। তাদের বেলাতেও একই নীতিমালা। মায়ের ভাষা হোক আজ উৎসবের বিষয়।
আমার লেখার উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে, যাদের মায়ের ভাষা নিয়ে কথা বলছি তাদের মায়ের মায়ের অর্থাৎ নানীর ভাষা ছিলো কিন্তু বাংলা ভাষা-ই। তারা কালের বিবর্তনে এসে আধুনীক হতে গিয়ে ভাষার বিবর্তনে ভেসে গেছেন। এটা হতে হয়েছে। ছেলে পড়েন ইংলিশ স্কুলে মা যদি ইংলিশ না বলেন তো হবে? আবার হিন্দি সিরিয়াল দেখতে গিয়ে অনেক মায়েরই আজকাল হিন্দিতে কথা বলার কন্ঠ পুরাই পরিষ্কার। তাদের জন্য কি ধরনের শুভ বানী দেয়া যায় তা আমার বাংলায় জানা নেই। উর্দুর বেলাতেও একই, অনেকেই আরবী মনে করে উর্দু শিখে ফেলছেন। তারা ধর্ম ভীরু। কিন্তু বুঝতেই পারেন না কোনটা আরবী আর কোনটা উর্দু। আরবী মনে করে অনেকেই আবার হিন্দিও শিখে ফেলেন, মজা লওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই। ওদিকে হুজুরেরা বলেন, এটা বাংলায় বলা যাবে না, ওটা আরবীতেই করতে হবে। কিন্তু কাজের কাজ চালানোর সময় মিলাদ পড়ানোর সময় পরেন উর্দুর স্লোক। হয়ত না জেনেই এমন করেন।
আসছে একুশে ফেব্রুয়ারী তো দোর গোড়ায়, আমরা কি একবার নিজের বাংলা ভাষাটা চর্চার জন্য মনস্থির করতে পারি? ছোট দেশ, এর যদি ভাষাই বদলে যায়, তবে জাতীয়তা টেকানো নিয়ে সংশয় বেড়ে যাবে না?

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad